Friday, February 14, 2025

জমি জমায় বিনিয়োগ ও জমিজমার ব্যবসা বিষয়ক

জমি জমায় বিনিয়োগ ও জমিজমার ব্যবসা বিষয়ক

কেমন জমিতে বিনিয়োগ করবো? জমি আপনার যেখানেই অবস্থিত হোক জমিতে যাতায়তেঁর রাস্তা আছে এমন জমি একটু ভিতরে হলেও বিনিয়োগ করা যায়। সাধারনত রাস্তার পাশের জমি দাম বেশি থাকে আর একটু ভিতর কম। কিন্তু আপনি কম দামের আশায় যদি ভিতর এবং রাস্তা নাই এমন জমি কিনেন তাহলে তার দাম কম বাড়বে,যখন তখন বিক্রি করতে পারবেন না। তবে নিজের বাড়ি করার জন্য রাস্তার পাশে তবে একটু ভিতরে কম দামে পেলে নিতে পারেন। জমিজমার দাম অনেক বেশি এখন তাই টাকা কম থাকলে কৃষি জমি রাস্তার পাশে কিনে রাখতে পারেন কয়েক একর। চাষাবাদ করে একর প্রতি বছরের ৭০/৮০ হাজার টাকা অনায়সে পাবেন সাথে জমির দাম বাড়বে।

জমি কিনতে দালালের প্রতারণার ফাঁদঃ

অলিতে গলিতে এখন জমির দালাল দিয়ে ভর্তি। জমি বিকিকিনিতে এদের কমিশন থাকে উভয় পক্ষ থেকে। সাধারনত মালিক পক্ষ ৫% এবং ক্রেতা থেকে ৫% খায় এই সব দালাল শ্রেণী। এদের ছাড়া আবার জমিও কেনা যায় না তাহলে আপনি কি করবেন? প্রথমে জমি দেখে যদি পছন্দ হয় তাহলে জমির কাগজপত্র,মালিকের ঠিকানা জানার চেষ্টা করবেন। সাধারনত জমির দলিল এদের কাছে থাকে  তা থেকে মালিকের বিস্তারিত জেনে নিবেন।জমি একান্তই পছন্দ হলে মালিকের সাথে যোগাযোগ করায়ে দিতে বলবেন। জমির বাজার মূল্য থেকে  ২৫% বেশি হিসাবে দাম বলে থাকে তাই সঠিক বিকির রেট জেনে নিন। আশেপাশের মালিক বা চাওয়া,রিক্সাওয়ালা মুদি দোকানদারের সাথে সেই এলাকার জমির দাম জিজ্ঞেসা করে ধারনা নিন।আপনার কেনার ইচ্ছা থাকলে এবার দালালকে ফাইনাল রেট দিতে ব =লেন এবং তার কমিশন কত তা জেনে নিন। যদি দালাল তার রেট এবং জমির দাম বলে তখন সেই জমির দাম থেকে তার কমিশন হিসাব করে আপনি বলে দিন ভাই এই রেটে করে দিন আপনার কমিশন পাবেন আপনি। মনে রাখবেন আপনি কোটিপ তি হলে চাইলে আপনার পিছনে লাখপতি তৈরি করতে হবে। দালালের কমিশন তার প্রাপ্য তাই তা বেশি বলে মন খারাপ করবেন  না। আপনি ন্যার্য দামে জমি পেলেন কিনা তাই দেখার বিষয়। যেহেতু বাংলাদেশে জমির নিবন্ধন খরচ অনেক বেশি  তাই প্রথমে বায়নামা দলিল করে জমি দখলে নিন এবং চারিদিকে বাউন্ডারি দিন। এখন বায়নামার  সময়ের মধ্যে জমি বিক্রি করতে পারলে নিবন্ধন খরচ বাচলো আপনার আর একান্তই না পারলে পাওয়ার দলিল করে নিন সামান্য খরচে পরে বিক্রি করেন।তবে পাওয়ার দলিলে বেশিদিন রাখা উচিত নয় যেহেতু যে কোন একজন মারা গেলে দলিল বাতিল হয়। তাই একাধিন ব্যক্তির নামে পাওয়ায়র দলিল নেয়া ভালো। না হলে পরে নিজ নামে কবলা দলিল করে নিন। নামজারি করে জমির মালিকানার কাগজপত্র হাতে রাখুন।

শহর অঞ্চলে একটু ভিতরে বড় আকারের জমি নিয়ে ৩/৪/৫/৬/৭ শতকের প্লট বানিয়ে  বিকি করে ভালো লাভবান হতে পারেন।

জমি বিক্রির মিডিলম্যান বা দালাল বা এজেন্ট হয়ে লাভবান হবেন?

প্রথমেই আপনার এলাকার জমি গুলো লিস্ট করুন যে গুলো বিকি হবে,তাদের মালিকের সাথে যোগাযোগ করুন জমির দাম কেমন চাচ্ছে তা জানতে চান।বলুন  আপনার কেউ কিনবে জমি তাহলে তারা আপনাকে সময় দিবে। পাশাপাশি সেই এলাকার রিক্সাওয়াল, দোকানদার সবার সাথে জমি ক্রয় বিক্রয় কথা শেয়ার করুন। দেখবেন ৩/৪ মাসে সেই এলার প্রতিটি জমির তথ্য আপনার কাছে আসতে থাকবে। ফেসবুকে ও ইউটিউবে বিকিকিনির বিষয় ভিডিও বানিয়ে জানান সবাইকে। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার মক্কেল বাড়বে। জমির বিক্রেতা থেকে কমিশন নিতে পারবেন সাথে ক্রেতা থেকেও ।ধীরে ধীরে টাকা হলে জমি বায়নামা করে নিজেই বিকি করুন। মানুষের সাথে লেনদেন ভালো রাখুন,জমিতে কোন ভেজাল থাকলে সেই জমি কম দামে কিনুন এবং ভেজাল মুক্ত করে বেশি দামে বিকি করুন। জমিজমার বিষয় একজন আইনজীবিকে সাথে রাখুন ।বিভিন্ন দলিল চুক্তি লিখতে একজন দলিল লেখকে সাথে রাখুন এভাবে আপনার নিজেরই শূন্য থেকে একটি কোম্পানিরমত  লোকজন টাকা পয়সা আশা শুরু হবে। পরে ধীরে ধীরে ট্রেড লাইসেন্স করুন আরো বর হলে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি খুলুন। মাটি কারো সাথে প্রতারনয়া করে না তাই মাঠিতেই বিনিয়োগ করুন।


============


কেন যৌথ মালিকানায় জমি ক্রয় করে ফ্ল্যাট করবেন?
ফ্লাট এর খরচঃ রেডি ফ্লাট এর তুলনায় ৩৫-৪০% কম খরচে শেয়ারে জমি কিনে ফ্লাট নির্মান করা যায় ।
রেডি ফ্ল্যাট কিনলে একবারে টাকা পরিশোধ করতে হয় । অধিকাংশ ক্ষেত্রে রেডি ফ্ল্যাট ক্রয়ে ম্যাক্সিমাম ক্রেতা ব্যাংক লোন করে । সেক্ষেত্রে প্রফিট সহ আরো অনেক বেশি টাকা পরিশোধ করতে হয় ।
রেজিস্ট্রেশন খরচঃ বর্তমানে রেডি ফ্ল্যাট এর রেজিস্ট্রেশন খরচ ১৫-১৬% । ৬০-৬২ লাখ টাকায় একটা ফ্লাট কিনলে ১০ লাখ টাকার মত রেজিস্ট্রি খরচ আসবে । সেম ফ্ল্যাট ই শেয়ারে ডেভলপ করলে শুধু জমি রেজিস্ট্রি করার সময় রেজিস্ট্রি খরচ ৫০-৬০ হাজার লাগবে । পরে ফ্ল্যাট রেডি হয়ে গেলে বন্টন নামা দলিল করে নিলেই হবে । তখন আর ২০-৩০ হাজার খরচ হবে । অর্থাৎ ১০ লাখ টাকার জায়গায় মাত্র ১ লাখ+ টাকা লাগবে সর্বোচ্চ ।
টাকা পরিশোধ এর সিস্টেমঃ ফ্ল্যাট কিনলে এককালীন অনেক টাকা পরিশোধ করা লাগতেছে । আর শেয়ারে ল্যান্ড ডেভলপ করে ফ্ল্যাট কিনলে ৩-৪ বছরে ৪০-৫০ কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করা যাবে ।
মাসিক ৫০-৬০ হাজার এর মত এভারেজ এ কিস্তি আসবে ।
একবারে টাকা লাগে না । জমি বায়না করার সময় কিছু টাকা দিতে হয় । এর পর যখন জমি রেজিস্ট্রি হয় সেদিন শুধু এক সাথে একটা এমাউন্ট দেয়া লাগে । যা ফ্লাট এর মূল্যের ১৫-২০% ।আপনার জমি আপনার নামে সাব কবলা রেজিস্ট্রি হবে । তাই আপনার বিনিয়োগ শতভাগ নিরাপদ ।
এর পর প্ল্যান পাশের সময় প্লান পাশের টাকা । এর পর ধীরে ধীরে কাজ হবে । প্রতি ছাদ ঢালাই এর সময় আপনাকে একটা এমাউন্ট পরিশোধ করতে হয় । ২.৫-৪ বছরের মধ্যে ৪০% কম খরচে নিজের ফ্লাট নিজেই নির্মান করা যায়
নির্মান সামগ্রীঃ রেডি ফ্লাট এর ক্ষেত্রে ডেভলোপার কী নির্মানসামগ্রী দিয়ে কাজ করেছে , সেখানে আপনার কোন কন্ট্রোল নাই , ভাল দিল না খারাপ দিল সেটা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই এর সুযোগ নাই । কিন্তু ল্য্যান্ড শেয়ারিং প্রসেসে আপনি কোন ম্যাটেরিয়ালস দিয়ে বিল্ডিং করবেন তা আপনিই নির্ধারণ করবেন ।
ঝুকি এড়ানোঃ ল্যান্ড শেয়ার প্রজেক্ট এ যেহেতু সম্মিলিত ভাবে প্রজেক্ট করা হয় , কাগজ পত্র সর্বোচ্চ যাচাই করেই কেনা হয় । তাই ঝুকি কম । এর পরেও যদি কোন সমস্যা উদ্ভুত হয়- প্রজেক্ট ১৮, ৩৬, ৫৪, ৭২ জন মিলে করা হয় । এই মানুষগুলোর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এর উর্ধতন কর্মকর্তা,প্রশাসন কর্মকর্তা, ল ইয়ার , রাজনীতিবিদ সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোক থাকে । তাই দূর্ভাগ্যজনক ভাবে ভবিষ্যত এ ছোট বড় কোন সমস্যা হলেও তা সম্মিলিত ভাবে হ্যান্ডেল করা যায় । সহজেই যেকোন প্রব্লেম সল্ভ করা যায় ।
ফ্লাট বন্টনঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বন্টন করা হয়ে থাকে । আবার অনেক ক্ষেত্রে নিজের পছন্দমত ফ্লাট ও বাছাই করে নেয়া যায় ।
ইউটিলিটি ,পার্কিংঃ ইউটিলিটি পার্কিং এর জন্য আলাদা টাকা পরিশোধ করতে হবে না ।
শেয়ারে ফ্ল্যাট ডেভল্প করলে আপনার পছন্দমত ম্যাটেরিয়ালস দিয়ে কাজ করতে পারবেন । নিজের পছন্দসই টাইলস, ফিটিং ,কিচেন ওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
২। সম্মানিত জমির শেয়ারহোল্ডারগণ শেয়ার মূল্য পরিশোধ করে সাফ কবলা দলিল বুঝে পাবেন।
৩। দলিল ও রাজউক অনুমোদন সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ নিজেদের দক্ষ টিম দিয়ে সম্পন্ন করা হয় তাই আপনি থাকবেন নিশ্চিন্ত।
৪। কমিটি গঠন করে শেয়ার মালিকদের মতামতের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ সামগ্রী ক্রয় করে কাজ করা হয়।
৫। আপনার নিজের অংশগ্রহণ থাকায় নির্মাণ সামগ্রীর মান সম্পর্কে আপনি থাকবেন ১০০% নিশ্চিত।
৬। নির্মাণ খরচ পর্যায়ক্রমে কিস্তিতে পরিশোধ করার সুবিধা রয়েছে।
৭। ফ্ল্যাট বুঝে নিতে পারবেন ২- ৩ বছরে।
৯। আপনি জমির মালিক তাই কোন ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফি দেয়া লাগবে না।
১০। ইউটিলিটি ও পার্কিং এর জন্য আলাদা টাকা পরিশোধ করতে হবে না।
সৃষ্টিকর্তা সবার স্বপ্নের বাড়ি,ফ্লাট নির্মানের স্বপ্ন পূরণ করুক । আমিন

============

বিনিয়োগের যতগুলো ওয়ে আছে তার মধ্যে ল্যান্ড শেয়ার প্রসেস ওয়ান অফ দ্য প্রফিটেবল ও সিকিউরড ইনভেস্টমেন্ট ।
কারণঃ
১। বিনিয়োগ ঝুকি নেই /কম । মূল্য পরিশোধ এর সাথে সাথেই আপনার নামে জমি রেজিস্ট্রি হবে । অর্থাৎ আপনার বিনিয়োগ শতভাগ নিরাপদ ।
২। ইনভেস্টমেন্ট একবারে করতে হয় না । প্রসেসের শুরু থেকে থাকলে জমি কেনার টাকাটাই আপনি ৫-৬ মাসে দিতে পারবেন ।
৩। জমি কেনার পর প্ল্যান পাশ হতে ৩-৬ মাস ।প্ল্যান পাশ হলেই শেয়ার ভ্যালু ২০-৫০% বেড়ে যাবে ।
৪ । বিল্ডিং এর কন্সট্রাকশন কাজ শুরু হলেই আবার শেয়ার ভ্যালু ভাল পরিমাণে বাড়বে ।
৫। সব গুলো ছাদ ঢালাই হয়ে গেলে ফ্লাট কমপ্লিট করে দেবেন , এভাবে অনেক কাস্টমার পাবেন । এবং এক্ষেত্রে অনেক প্রফিট হয় ।
বিল্ডিং এর কন্সট্রাকশন শেষ হতে হতে নির্মাণ খরচ বাদে জমির শেয়ার ভ্যালু ৩ থেকে ৪ গুণ হয়ে যায় ৩/৪ বছরের মধ্যেই ।
যেকোন মূহুর্তে শেয়ার বিক্রয় করে বের হওয়ার সুযোগ আছে । শেয়ার ভ্যালু কমে যাওয়ার সুযোগ নাই /কম ।

সাইট ভিজিট

 সাইট ভিজিট: বাস্তব অভিজ্ঞতা, বাস্তব সমাধান!

🏗 আপনার প্রোজেক্টের গুণগত মান নিশ্চিত করতে একজন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের সরাসরি তদারকি কতটা জরুরি, তা কি ভেবে দেখেছেন?
আমাদের এম.ডি. স্যার ইঞ্জিঃ শেখ রাকিবুল হাসান নিজে নিয়মিত বিভিন্ন সাইট পরিদর্শন করেন এবং নির্মাণ কাজের প্রতিটি ধাপে গভীর পর্যবেক্ষণ করেন। এটি নিশ্চিত করে যে, প্রকল্পটি নকশা অনুযায়ী সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কোথাও কোনো গাফিলতি থাকছে না।
এছাড়াও, আমাদের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দল, যার মধ্যে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার রাকিব হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আজহারুল হক আসিফ, ইঞ্জিনিয়ার রমজান, ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ ও অন্যান্য সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজাররা, সরাসরি সাইট তদারকি করেন। তারা প্রতিটি কাজের মান যাচাই করে এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা সমাধান করেন।
🔍 আমাদের সাইট ভিজিটে কী থাকে?
✅ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ
✅ ডিজাইন ও স্ট্রাকচারাল নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ
✅ সঠিক নির্মাণ উপকরণের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ
✅ ক্লায়েন্টদের যেকোনো প্রশ্নের সরাসরি উত্তর প্রদান
✅ সমস্যা নিরসনে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
💡 কেন সাইট ভিজিট গুরুত্বপূর্ণ?
📌 নির্মাণের সময় যে ভুলগুলো আপনি বুঝতে পারবেন না, আমাদের অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা তা তাৎক্ষণিক ধরতে পারবেন।
📌 সঠিক সুপারভিশন ছাড়া কোনো ডিজাইনই কার্যকর নয়।
📌 ভবিষ্যতে বড় সমস্যা এড়াতে এখনই প্রকল্পের সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করুন।

Wednesday, February 12, 2025

ইঞ্জিনিয়ার বনাম কন্ট্রাক্টর

ইঞ্জিনিয়ার বনাম কন্ট্রাক্টর – কার কাছে গেলে কী পাবেন?
আপনার বাড়ি বা ভবন নির্মাণের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হলো—"আমি কাকে দিয়ে কাজ করাব? ইঞ্জিনিয়ার নাকি কন্ট্রাক্টর?"
🧠 ইঞ্জিনিয়ার: ভবন পরিকল্পনা ও নিরাপত্তার সহায়ক!
ইঞ্জিনিয়াররা মূলত আপনার বাড়ির ডিজাইন ও গঠন নিয়ে কাজ করেন। তাদের কাজ হলো ভবনটিকে টেকসই ও নিরাপদ করার ব্যবস্থা করা। তবে চূড়ান্ত নিরাপত্তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হাতে।
🔢 ইঞ্জিনিয়ারের প্রধান দায়িত্ব:
✅ বাড়ির ডিজাইন ও প্ল্যান তৈরি করা (আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিং ডিজাইন)।
✅ RAJUK, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অনুমোদন নেওয়া।
✅ ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে ছাদ পর্যন্ত কাঠামোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।
✅ লোড ক্যাপাসিটি হিসাব করা, যাতে ভবন ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করতে পারে।
✅ নির্মাণ কাজের তদারকি করা, যেন গুণগত মান বজায় থাকে।
✅ নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের সঠিকতা যাচাই করা।
✅ নির্মাণ সাইটের সেফটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
✅ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান।
✅ প্রজেক্ট কমপ্লিশনের পর চূড়ান্ত পরিদর্শন ও সার্টিফিকেশন প্রদান।
🛠 কন্ট্রাক্টর: বাস্তবায়নের কারিগর!
কন্ট্রাক্টর বা ঠিকাদার মূলত নির্মাণ কাজের সরাসরি বাস্তবায়ন করেন। তারা ইঞ্জিনিয়ারের ডিজাইন অনুযায়ী নির্মাণ কাজ পরিচালনা করেন।
🔢 কন্ট্রাক্টরদের প্রধান দায়িত্ব:
✅ প্রকল্পের স্কোপ (সীমা) নির্ধারণ করা।
✅ কাজের সময়সূচী তৈরি করা।
✅ প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং লেবারদের সঠিক সময়ে ম্যানেজ করা।
✅ নির্মাণস্থলে সব উপকরণ ঠিকমতো পৌঁছানো এবং ব্যবহারের তদারকি করা।
✅ দক্ষ শ্রমিক ও কারিগর (রাজমিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার) নিয়োগ করা।
✅ শ্রমিকদের দৈনিক কাজের তালিকা তৈরি করা।
✅ কাজের গুণগত মান যাচাই করা।
✅ শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা।
✅ ইঞ্জিনিয়ারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণকাজ হচ্ছে কি না যাচাই করা।
✅ কাজের প্রতিটি ধাপ (ফাউন্ডেশন, বিম, কলাম, ছাদ ইত্যাদি) সঠিকভাবে হচ্ছে কি না যাচাই করা।
✅ সাইটে কাজের সময় সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা (সেফটি গিয়ার, হেলমেট, গ্লাভস) মেনে চলা হচ্ছে কি না।
✅ শ্রমিকদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাইট ম্যানেজার ও ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সমন্বয় করা।
✅ ইঞ্জিনিয়ারের নকশা ও স্ট্রাকচারাল প্ল্যান বুঝে তার ভিত্তিতে কাজ করা।
✅ যদি নির্মাণের সময় কোনো পরিবর্তন বা সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নেওয়া।
✅ ভবন নির্মাণের সময় বিভিন্ন সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে চলা।
✅ প্রতিদিন/প্রতি সপ্তাহে কাজ কতদূর এগিয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।
✅ ভবন মালিককে নির্মাণকাজের রিপোর্ট দেওয়া।
✅ নির্ধারিত বাজেট ও সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সমস্যা হলে তা সমাধান করা।
✅ নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করা।
✅ ভবন মালিকের কাছে শেষ পর্যায়ের কাজ বুঝিয়ে দেওয়া।
✅ ভবনের আনুষ্ঠানিক পরিদর্শন (Inspection) করা, যেন সবকিছু ঠিকমতো হয়েছে।
✅ ফাইনাল পেমেন্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র হস্তান্তর করা।
🎯 কন্ট্রাক্টর ছাড়া কি ভবন নির্মাণ সম্ভব?
একজন দক্ষ কন্ট্রাক্টর ছাড়া নির্মাণকাজ শুরু করাই কঠিন! ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট নকশা তৈরি করলেও, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন কন্ট্রাক্টর। তাই একটি সঠিক, মজবুত ও টেকসই বাড়ি নির্মাণ করতে হলে একজন অভিজ্ঞ কন্ট্রাক্টরের সাহায্য নেওয়া জরুরি।
💡 তাহলে কাকে নির্বাচন করবেন?
✔ আপনি যদি বাড়ির সঠিক ডিজাইন, ও পরিকল্পিত সুন্দর প্ল্যান চান, তাহলে ইঞ্জিনিয়ার অপরিহার্য।
✔ আপনি যদি শুধুমাত্র নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করতে চান, তাহলে কন্ট্রাক্টর দরকার। তবে অবশ্যই ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে কাজটি করা প্রয়োজন।
✔ কিন্তু একটি পরিপূর্ণ, মজবুত এবং সুন্দর বাড়ির জন্য দুজনকেই দরকার!
🌍 আপনার স্বপ্নের বাড়ি গড়তে আমাদের সাথে থাকুন!
আপনার ভবন নির্মাণের জন্য অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও কন্ট্রাক্টরের পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন!
📞 ফোন করুন:
📲 +8801939-294938 | +8801958-140774 | +8801997-900700
🌐 ওয়েবসাইট: www.insaflimited.com
📌 ফেসবুক পেজ: fb.com/ibdcbd

ফেসবুক গ্রুপ: fb.com/groups/insafbuildingdesignconsultant 



   

Standard Room SIze In Residential Buildings