Saturday, January 4, 2025

সাধারন ইট ও সিরামিক ইট

সাধারন ইট ও সিরামিক ইটঃ

ভালো মানের ইটের উপর বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব নির্ভর করে। খারাপ ইট হলে নোনা পড়তে পারে, সিমেন্ট খরচ বেশি হবে, তাছাড়া গাঁথুনিও দূর্বল হয়ে যাবে।
কনস্ট্রাকশনে দু ধরনের ইট ব্যবহার হয়।
১. সাধারণ ভাটায় তৈরি ইট বা বাংলা ইট।
২. মেশিনে তৈরি ইট বা সিরামিক ইট।
==========
♦প্রথম শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- ভালোভাবে পোড়ানো হয়;
- ইটের রঙ ও মাপ একই থাকে।
ব্যবহার: গাঁথুনির কাজে ব্যবহার করা হয়।
♦দ্বিতীয় শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- অপেক্ষাকৃত কম পোড়া, সাইজে ছোট-বড় হয়।
ব্যবহার: অস্থায়ী দেয়ালে অথবা বাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে।
♦ঝামা ইট বা পিকেট ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- বেশি পুড়ে আকার-আকৃতি বিকৃত হয়ে যায়।
ব্যবহার:
- খোয়া তৈরিতে ব্যবহার করা হয়;
- ঝামা ইটের মাঝে অনেক সময় কালো ইট চলে আসে, এগুলো ঢালাইতে ব্যবহার করা উচিত নয়।
ইট ব্যবহারের সতর্কীকরণ নির্দেশিকা
============================
দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ কাজে সব সময় প্রথম শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা উচিৎ। পাকা কাজে অথবা বাড়ির প্রাচীর নির্মাণ কাজে বা অস্থায়ী শেড তৈরির কাজে ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফিল্ড বা সাইটে ইট পরীক্ষা
=====================
নিচের পরীক্ষাগুলোর সাহায্যে নির্মাণ স্থলে ভাল ইট শনাক্ত করা যেতে পারে। যেমন-
♦প্রথমে একটি ইট নিয়ে এর পিঠে বা তলাতে নখ দিয়ে আচড় দিয়ে হবে, যদি আচড় পড়ে তবে তা খারাপ ইট বলে বিবেচিত হবে, আর না পড়লে ভাল ইট।
♦একটি ইট নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে হবে যদি ধাতব শব্দের সৃষ্টি হয় তবে ভাল ইট।
♦দুটো ইট হাতে নিয়ে T এর মত একটি অপরটির উপর ধরে ১ মিটার উপর থেকে সমান মাটিতে ফেলতে হবে, ভাল ইট হলে উপরের ইটটি ভাঙ্গবে ন্
বাংলাদেশে পি.ডব্লিউ.ডি সিডিউল অনুযায়ী ইটের সাইজ সাধারণত ৯ ১/২ ইঞ্চি X ৪ ১/২ ইঞ্চি X ২ ৩/৪ ইঞ্চি বা (২৩৮ মিমি X ৭০ মিমি) মাপের বাংলা ইট ব্যবহৃত হয়। আরও অনেক আকৃতির ইট আছে তবে এই আকৃতির ইট সবচেয়ে সুবিধা জনক মর্টারসহ উক্ত সাইজ হয় ১০ ইঞ্চি X ৫ ইঞ্চি X ৩ ইঞ্চি (২৫০ মিমি X ১২৫ মিমি X ৭৫ মিমি)।
♦ সিরামিক ইটঃ
=============
এটি অতি উন্নতমানের প্রথম শ্রেণীর ইটের অন্তর্ভূক্ত। এই প্রকার ইট মেশিনে তৈরি করা হয় বলে আকার ও আকৃতি সঠিক ভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্যাস অথবা বিদ্যুতের সাহায্যে পোড়ানোর ফলে এর রঙের সাম্যতা সর্বত্র বজায় থাকে। ফেয়ার ফেস ব্রিক ওয়ার্কে অর্থাৎ আস্তর করা হবে না এমন দেয়াল নির্মানে এই ইট ব্যবহার করা হয়। সিরামিক ইটে ৫৫% বালি, ৩০% অ্যালুমিনিয়াম, আয়রণ অক্সাইড, ৫% ম্যাগনেসিয়া ও ১% জৈব পদার্থ থাকতে পারে।
ব্রিক ওয়ার্ক করা সাধারণত সিরামিক ইট দিয়ে এবং এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে হয়, (বিশেষ করে সিরামিক দিয়ে যারা আগে কাজ করেছে) না হলে ফেয়ার ফেসের সৌন্দর্য নষ্ট হবার সম্ভবনা থাকে।
♦সিরামিক ইট এর বৈশিষ্ট্য:
- মেশিনে তৈরি;
- সাইজ ঠিক থাকে;
- দেখতে সুন্দর এবং গুণগত মানে উন্নত।
ব্যবহার:
- গাঁথুনিতে ব্যবহার করা যায়;
- এক্সপোজড ব্রিক ওয়ালে সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়;
- সিরামিক ইটে ৩, ১০ বা ১৩ টি ছিদ্র থাকে, এর ভিতর রড দিলে দেয়াল মজবুত হয়

সিরামিক ব্লক
সীরামিক ব্লকের প্রধান অলংকরণ বা শোভাবর্ধনমূলক বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ব্যাবহার করা হয়।
স্বাভাবিক ভাবেই এই ইটের ব্যাবহার ব্যায় সাপেক্ষ।
সিরামিক ইট এক ধরনের বিশেষ ইট। মেশিনে তৈরিকৃত এ ইটের বৈশিষ্ট্য সাধারণ ইটের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। নির্মাণ কাজে ব্যবহারের সুবিধার জন্য ও অবস্থানগত আকৃতির কারণে এ ধরনের বিশেষ ইট কাজে লাগানো হয়।
এই ইট তৈরীতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।তাই আমাদের দেশে সাধারণ ইটের মত সর্বত্র এ ইট তৈরি হয় না।
✅সিরামিক ব্লকের গুণাগুণঃ-
১/ এই ইটের পোড়া ও রঙ সাম্য।
২/ পানিতে ভিজালে আয়তনের কোন পরিবর্তন হয় না।
৩/ ইটে আঘাত করলে ধাতব শব্দ হয়।
৪/ ন্যূনতম তাপ পরিবাহী।
৫/ নিজেরা দাহ্য নয় ও দহনে সহায়তা করে না।
৬/ এই ইটের পৃষ্ঠে কোন প্রকার প্লাষ্টার করার প্রয়োজন হয় না।
৭/ কাঠামোর সোন্দয্য বৃদ্ধি করে।
✅ সিরামিক ইটের ব্যাবহার:- রুচিশীলতা বহিঃপ্রকাশ।


সিরামিক ও অটো বিকস্
.......... নোনামুক্ত সুন্দর বিকস্ এর জন্য খাঁটি।
* আমাদের সিরামিক ও অটো ব্রিকস্ BUET দ্বারা পরীক্ষিত এবং নোনামুক্ত স্বীকৃত।
* সাধারণ ইটের তুলনায় সিরামিক ও অটো ব্রিকস্ এর গাঁথুনি ও প্লাস্টারে ৫০% সাশ্রয়ী।
* আমাদের ইট আকারে বড় ৯.৫” × ৪.৫” × ২.৭৫” যা সাধারণ ইটের থেকে বড় হওয়ায় ৩০% সংখ্যায় কম লাগে ।
উদাহরণ স্বরুপ ঃ
√সাধারণ ইট ১০০০ পিছ লাগলে সিরামিক ও অটো বিকস্ লাগবে ৮০০পিছ ।
# আপনাদের চাহিদা মতো ডেলিভারি দিতে আমাদের Per day production 2 lakh pcs প্রস্তুত করা হয়।
√Solid brick,
√Picket brick,
√3hole brick,
√10hole brick,
অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
📞01600016956 or 📞01970016956

=========

ইটের বিবরণ
★★★ ইটের বিবরণঃ
আমাদের দেশে সাধারনত ৯.৫" x ৪.৫" x ২.৭৫" সাইজের ইট, যা মিলি মিটারে ( 238 x 114 x 70 ) বাংলা ইট ব্যাবহার হয়ে থাকে, এই মান PWD এর সিডিউল অনুযায়ী।
মসলা সহ ১০" x ৫" x ৩" ( 250 x 125 x 76 )
★★★ ইটের প্রকারঃ
১। ১ম শ্রেনীর ইট।
২। ২য় শ্রেনীর ইট।
৩। ৩য় শ্রেনীর ইট।
৪। ঝামা ইট।
৫। পিকেট ইট।
★★★ ভালো ইট চেনার উপায়ঃ
১। ইটের ধার ও কোণ গুলো সুক্ষ ও তীক্ষণো হবে।
২। ইটের পৃষ্ট মসৃন ও সমতল হবে।
৩। ইটের মাপ আদর্শ থাকবে।
৪। ইটের ওজন ৩.৫ কেজির বেশী হবে না।
৫। ইটের রঙ সকল স্থানে এক রকম থাকবে।
৬। ইটের পৃষ্টে কোন ছুরি বা নখ দিয়ে আচর কাটলে তাতে দাগ বসবে না।
৭। দুইটি ইটকে পরস্পর আঘাত করলে পরিস্কার শব্দ বা ধাতব পদার্থের ন্যায় শব্দ হবে।
৮। দুইটি ইটকে ইংরেজির টি এর মত করে ধরে ৩-৪ ফিট উপর থেকে মাটিতে ফেলে দিলে ভাংবে না।
★★★ ১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
★★★ ০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
=========

Efflorescence Test of Brick (ইটের লবণের উপস্থিতি নির্ধারণ)
🧱উদ্দেশ্য:
ইটের পৃষ্ঠে দ্রবণীয় লবণের উপস্থিতি নির্ধারণ করে ইটের মান যাচাই করা। লবণ ইটের স্থায়িত্ব, শক্তি, এবং চেহারা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
🧱পদ্ধতি:
ইট পরিষ্কার করুন: ইটের পৃষ্ঠ ধুলাবালি মুক্ত করুন।
পানিতে স্থাপন:
একটি ফ্ল্যাট ট্রেতে বা পানির পাত্রে ইট ২৪ ঘণ্টা এমনভাবে স্থাপন করুন যাতে ২৫ মিমি (১ ইঞ্চি) পানি দ্বারা ইটের নিম্নভাগ ঢেকে থাকে।
🧱পর্যবেক্ষণ:
ইট শুকানোর জন্য ২৪ ঘণ্টা সরিয়ে রাখুন।
লবণের উপস্থিতি পরীক্ষা করুন:
ইটের পৃষ্ঠে সাদা বা ধূসর লবণের দাগ আছে কি না তা দেখুন।
🧱ফলাফল নির্ধারণ:
লবণের উপস্থিতি অনুযায়ী ইটকে নিম্নলিখিত ভাগে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
Nil (শূন্য):
লবণের কোনো দাগ দেখা যায় না।

Slight (সামান্য):
সামান্য সাদা দাগ, যা ১০% এর কম এলাকা আচ্ছাদিত করে।

Moderate (মাঝারি):
সাদা দাগ ১০%-৫০% এলাকা আচ্ছাদিত করে।

Heavy (ভারি):
৫০%-১০০% এলাকা সাদা দাগে ঢেকে যায়।

Serious (গুরুতর):
ইটের পৃষ্ঠ খোসা ছাড়ায় এবং কাঠামোর ক্ষতি হয়।
🧱গুরুত্ব:
উচ্চ লবণাক্ত ইট নির্মাণে ব্যবহার করা উচিত নয়।
লবণাক্ততা কম মানে ইটের মান ভালো।
================

গাঁথুনি করার সঠিক নিয়ম জানুন-
ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।
১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।
২) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।
৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।
৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।
৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগে, ফলে মিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।
৬) ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।
৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
৮) কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে (নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।
৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫ (৫” গাথুনির জন্য)
১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।
১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।
১২) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।
১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।
১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।
১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। (একদিনে ৩ ফুট করা উত্তম)
১৬) ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন কিউরিং উপযুক্ত কেননাঃ- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে কংক্রিট ৫০% পর্যন্ত কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ লাভ করে এবং ২৮ দিনের মধ্যে তা ৯০% পর্যন্ত।
ধন্যবাদ সকলকে।

================

ইট দিয়ে বাড়ি করে ঠকে যাচ্ছেন না তো!
ব্লক দিয়ে বাড়ি করার এত লাভ আর সুবিধা জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।
পৃথিবী উন্নয়নশীল। আজকে আমরা উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাই নির্মাণ উপকরণ হিসেবে এমন সব উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে যা পরিবেশবান্ধব, সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়, উচ্চশক্তি সম্পন্ন, দীর্ঘস্থায়ী এবং দেখতে খুবই সুন্দর। তেমনি হলো কংক্রিট ব্লক একটি উপাদান যা উন্নত দেশগুলোতে ব্যবহার হচ্ছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এসব ব্লকের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গুণগত মান সুলভ মূল্যের অভাব এবং হাতের নাগালে না থাকার কারণে উন্নত চিন্তাশীল ব্যক্তিরা এসব ব্লক ব্যবহার করতে পারছে না। এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে আমরা উন্নত দেশগুলোর মত গুনগত মান বজায় রেখে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন , সুলভ মূল্যের ব্লক তৈরি করে থাকি। যা আপনাদের স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণের খরচ কমিয়ে দিবে বহুগুণ।
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ইটের তুলনায় হলো কংক্রিট ব্লকের,
* #দাম অনেক কম।
* ইটের চেয়ে উচ্চশক্তি সম্পন্ন,
* #টেকসই, যা ইটের মতো পরিবেশ দ্বারা আক্রান্ত হয় না।
নির্মাণ সামগ্রীর রাজা পাথর ব্যবহার করে নির্মিত হলো কংক্রিট ব্লক পরিবেশ দূষণকারী ইটের বিকল্প হিসেবে আপনার সপ্নের বাড়ির নির্মাণ খরচ বহুগুণ কমিয়ে দিতে।
আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পরে এই হলো ব্লক কিভাবে আমাদের খরচ বহুগুণ কমিয়ে দিবে?
প্রথমত হলো কংক্রিট ব্লক ফাঁপা হওয়ার কারনে ইটের তুলনায় অনেক হালকা বলে বিল্ডিং এর ডেড লোড অনেকটা কমিয়ে দেয়, যার ফলে বিল্ডিংয়ে রড কম লাগে।
এটি ফাঁপা হওয়া সত্বেও ইটের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয় বলে আপনার বড়িকে করবে টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী।
এটি ইটের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুন বড় হওয়ায়,
* গাথুনিতে জয়েন্ট সংখ্যা কম লাগে,
* দ্রুত কাজ করা যায়,
*মিস্ত্রী কম লাগে,
* #মশলা অনেক কম লাগে, যা আপনার নির্মাণ খরচ বহুগুণ কমিয়ে দিতে সক্ষম।
* ইটের মতো এবরো থেবড়ো না হওয়ায় প্লাস্টারে মশলা অনেক কম লাগে,
* ইটের মত নোনা ধরে না,
* অধিক পানি শোষণ করে না,
* ইটের মতো ভঙ্গুর না, তাই ইটের পরিবর্তে হলো ব্লকই হচ্ছে আপনার উত্তম নির্বাচন।
আপনারা যারা আমাদের থেকে ব্লক সংগ্রহ করবেন, তারা স্ক্রিনে দেখানো নাম্বারে কল দিয়ে যোগাযোগ করবেন অথবা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন। আপনাদের জন্য আমাদের কোম্পানির তরফ থেকে পরিবহনের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে এবং আমাদের মাল আপনাদের হাতে পৌঁছার পর পরিবহন খরচ পরিশোধ করবেন।






 






No comments:

Post a Comment

Standard Room SIze In Residential Buildings