Thursday, January 9, 2025

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ

১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায়
চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া.....

======

একটি বিল্ডিং তৈরি করতে কি কি ধাপে কাজ করতে হবে❓ ধাপগুলো নিম্নরূপ হতে পারে:
১. পরিকল্পনা এবং নকশা
জমি নির্বাচন
আর্কিটেকচারাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং নকশা
অনুমোদনের জন্য নকশা জমা দেওয়া
২. অনুমোদন এবং লাইসেন্সিং
জমির মালিকানার যাচাইকরণ
বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন
পরিবেশগত এবং স্থানীয় নিয়মাবলী মেনে চলা
৩. সাইট প্রস্তুতি
সাইট পরিস্কার
মাটি পরীক্ষা
ফাউন্ডেশনের জন্য জায়গা প্রস্তুত
৪. ফাউন্ডেশন নির্মাণ
খনন কাজ
ফাউন্ডেশনের জন্য কংক্রিট ঢালা
ভিত্তি স্থাপন
৫. স্ট্রাকচারাল নির্মাণ
কলাম এবং বিম তৈরি
ফ্লোর নির্মাণ
দেয়াল স্থাপন
৬. ছাদ নির্মাণ
ছাদের জন্য কাঠামো তৈরি
ছাদ ঢালাই
৭. ইলেকট্রিক এবং প্লাম্বিং সিস্টেম
বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন
পানির লাইন এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা
৮. ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র কাজ
প্লাস্টারিং এবং পেইন্টিং
দরজা-জানালা স্থাপন
মেঝে এবং সিলিংয়ের কাজ
৯. ফিনিশিং ও ফার্নিশিং
টাইলস, লাইট এবং ফিটিংস
আসবাবপত্র স্থাপন
১০. পরীক্ষা এবং হস্তান্তর
নিরাপত্তা এবং মান পরীক্ষা
কাস্টমারের কাছে হস্তান্তর
এই ধাপগুলো প্রকল্পের আকার, অবস্থান এবং প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

=====
কলাম ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে করনীয়:-
আপনার সাইটে যখন আপনি দায়িত্বরত অবস্থায় থাকবেন তখন আপনাকে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো খেয়াল করতে হবে.
1. কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিতে হবে, কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন। কিকারের সাইজ সর্বনিম্ন ৬" হতে হবে। বর্তমানে কিকার করার বিষয় টা প্রায় কমে গেছে, কিকার করেন মূলত কলামের সার্টার সঠিক এলাইনমেন্টে রাখতে এবং কাজের সুবিধার জন্য। কিকার করা ছাড়া কাজ করতে পারলে সেটা আরও ভালো হবে হয়তো সময় বেশি লাগবে।
2. পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা (পানি দেয়া) মিস করবেন না।
3. এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন।
4. সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
5. সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
6. মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চো দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।
7. এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
8. ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। ধরুন আজ আপনার সাইটে মোট 14 টি কলাম ঢালাই হবে, যার সাইজ 12"x 16" আর উচ্চতা 9'-6". উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ। রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া আছে। অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথর/খোয়ার ঢালাই, সাথে 100% সিলেট বালি।
9. ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
10. ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায় ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়াও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ।বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
11. একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন। ঢালাইয়ের সাথে সাথেই কলাম সোজা আছে কিনা চোখের নজরে ও ওলন দিয়ে দেখে নিবেন।ঢালাইয়ের পর কভারিং আবার দেখবেন।
12. পরের দিন সাটার খুলবেন না। 1 দিন/24 ঘন্টা সময় দিন শক্ত হতে। তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
13. তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে.
সাবধানতাঃ
1. ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না। তাহলে লেবাররা ভাইব্রেটর ঠিক ভাবে করবে না,
2.সিমেন্ট গ্রাউটিং ঠিক ভাবে দিবে না.
3. ঢালাই কংক্রিট তাড়াতাড়ি কলামে ঢালতে যেয়ে অর্ধেকটাই নিচে পেলবে. এতে আপনার হিসেবের বাহিরে মালামাল যাবে.
4. কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কমপক্ষে 10/14 দিন নিয়মিত 3 বার কিউরিং করতে হবে. তবে ছাদে 28 দিন করার নিয়ম. কার্যক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার জন্য সম্ভব হয়না বলে 10/14 দিন করা হয়.

====

গাঁথুনি করার সঠিক নিয়ম জানুন
ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী।
১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।
২) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।
৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা/কন্টাক্টর বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।
৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।
৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে।ঞ
৬) ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।
৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
৮) কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে (নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।
৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫ (৫” গাথুনির জন্য)
১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।
১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।
১২) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।
১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।
১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।
১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। (একদিনে ৩ ফুট করা উত্তম)
১৬) ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন কিউরিং উপযুক্ত কেননাঃ- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে কংক্রিট ৫০% পর্যন্ত কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ লাভ করে এবং ২৮ দিনের মধ্যে তা ৯০% পর্যন্ত।

====
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাজেশন:-
বাড়ি নির্মাণে কিউরিং একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, এই সম্পর্কে অনেকে অবহেলা করে। নীচে এই সম্পর্কে কিছু নিয়ম উল্লেখ করা গেল।
১. কলাম, স্লাব বা অন্যান্য ঢালাই এর অংশ কাজের পরে মিনিমাম ২১ দিন কিউরিং করতে হবে।
২. ব্রিক ওয়াল বা ইটের গাঁথনি ন্যুনতম ১৪ দিন কিউরিং বা পানি দিতে হবে।
৩. প্লাস্টার করার পরে ন্যুনতম ১৪ দিন কিউরিং করতে হবে।
৪. টাইলস মার্বেলের কাজ করার পরে ন্যুনতম ৭ দিন কিউরিং করতে হবে।

====

✅কিউরিং করার সময় ও নিয়ম:
১. ফাউন্ডেশন কাজ:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
২. ড্যাম্প প্রুফ কোর্স (DPC):
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৩. লিন্টেল ও সানশেড:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৪. জলছাদ (Waterproof Roof):
কিউরিং শুরু: ২৪ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৫. ইটের গাঁথুনি:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৬. ফ্লোর ঢালাই:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৭. প্লাস্টার:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৮. মোজাইক ফ্লোর:
কিউরিং শুরু: ১২ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
৯. প্যাটেন্ট স্টোন এবং সিমেন্ট কংক্রিট:
কিউরিং শুরু: ১৫ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।
১০. নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এবং স্কার্টিং:
কিউরিং শুরু: ১২ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ১৬ দিন।
১১. ছাদ ঢালাই:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ২১-২৮ দিন।
☑️বিশেষ দ্রষ্টব্য:
গরম আবহাওয়ায় কিউরিং ১২-১৬ ঘণ্টা পর শুরু করা যেতে পারে।
যথাযথ কিউরিং সিমেন্টের শক্তি ও স্থায়িত্ব বাড়ায়।

====

কিউরিং করার সময় ও নিয়ম,কাজ শুরুর পর থেকে...
✅ফাউন্ডেশন কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅ড্যাম্প প্রুফ কোর্স ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅লিন্টেল,সানশেড ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅জলছাদের কাজ ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅ইটের গাঁথুনীর কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
✅ ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅সকল প্লাস্টারের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅মোজাইক ফ্লোরের কাজ ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅প্যাটেন্ট স্টোন,সিমেন্ট কংক্রিট ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত।
✅নীট সিমেন্ট ফিনিশং,স্কার্টিং এর কাজ ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত।
✅ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ২১ থেকে সর্বোচ্চ ২৮ দিন পর্যন্ত।
আবহাওয়া উষ্ণতার কারনে ১২ থেকে ১৬ ঘন্টা পর থেকেও কিউরিং করা যেতে পারে।

====

#কিউরিং করার সময় ও নিয়ম #কাজের বিবরণ-কিউরিংকরার সময় যতদিন করতে হবে
*ম্যাস কংক্রিট ফাউন্ডেশন কাজে : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *ইটের গাঁথুনীর কাজে : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *ড্যাম্প প্রুফ কোর্স : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *লিন্টেল,সানশেড : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
*ছাদ ঢালাইয়ের কাজ: ২০ ঘন্টা পর 21 থেকেসর্বোচ্চ 28 দিন পর্যন্ত *ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ : ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *প্যাটেন্ট স্টোন সিমেন্ট কংক্রিট : ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *সকল প্লাস্টারের কাজ: ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *মোজাইক ফ্লোরের কাজ: ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *জলছাদের কাজ : ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত *নীট সিমেন্ট স্কার্টিং কাজ : ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত উল্লেখ্য যে 12 থেকে 16 ঘন্টা পর থেকেও কিউরিং করা যাবে

=====

কিউরিং করার নিয়ম:---
বিল্ডিং এর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হল কিউরিং,পানি ছাড়া যেমন মানুষ বাচঁতে পারেনা ঠিক নতুন বিল্ডিং কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিউরিং তার জীবনের অংশ।
সাধারণভাবে ছাদ বা ফ্লোর কিউরিং এর ক্ষেত্রে ঢালাইয়ের ১০ ঘণ্টা পর পুরো কাস্টিং এরিয়াতে বাঁধ দিয়ে পানি ধরে কিউরিং করা হয়ে থাকে।কলাম এবং বীমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কিউরিং পেতে ফর্ম ওয়ার্ক বা সাটার ধরে রাখতে হবে।কলামের ক্ষেত্রে সাটারিং উঠিয়ে ফেলার পরেও ভেজা চট দিয়ে জড়িয়ে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
কিউরিং করার সময় ও নিয়ম:---
# ম্যাস কংক্রিট
ফাউন্ডেশন কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ইটের গাঁথুনীর কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ড্যাম্প প্রুফ কোর্স ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
লিন্টেল,সানশেড ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর 21 থেকে সর্বোচ্চ 28 দিন পর্যন্ত
ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
# প্যাটেন্ট স্টোন
সিমেন্ট কংক্রিট ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
সকল প্লাস্টারের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
মোজাইক ফ্লোরের কাজ ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
জলছাদের কাজ ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
# নীট সিমেন্ট
স্কার্টিং কাজ ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত
# উল্লেখ্য যে 12 থেকে 16 ঘন্টা পর থেকেও কিউরিং করা যাবে
কংক্রিটের কিউরিং এর সময়কাল সর্বনিম্ন কত হওয়া উচিত?
কোন কংক্রিটের কাঠামো মূলত কংক্রিটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থের উপর নির্ভর করে এবং এটি কোনো কংক্রিট নির্মাণ প্রকল্পের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কংক্রিটের স্ট্রেন্থ,কংক্রিট এর কিউরিং এর উপর নির্ভর করে। তাহলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে "কংক্রিটকে কিউরিং করতে কত দিন লাগবে?
বেশিরভাগ সাধারণ লোক কংক্রিটের সর্বনিম্ন কিউরিং সময়ের কথা জানেন না।কোন কংক্রিটের কাঠামো নির্মাণের সময়,কিছু লোক 3 থেকে 5 দিনের জন্য কংক্রিটের কিউরিং করে অথবা 10 থেকে 15 দিন এর জন্য কিছু লোক এটি করে। কংক্রিটের কিউরিং ততক্ষণ করা উচিত যতক্ষণ না এটি 70% থেকে 80% শক্তি লাভ করবে।সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ক্ষেত্রে কংক্রিট কাস্টিং করার তারিখ থেকে সর্বনিম্ন ৭ দিন পর্যন্ত কিউরিং করা উচিত।কিউরিং এর সময় 10 দিন পর্যন্ত বাড়ানো উচিত যেখানে খনিজ এডমিক্সার বা মিশ্র সিমেন্ট ব্যবহৃত হয়। শুকনো এবং গরম আবহাওয়ায় উদ্ভাসিত কংক্রিটের জন্য কিউরিং 10 দিনের কম হওয়া উচিত নয়।

=====


ভাইবা পরীক্ষায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কে যেসব প্রশ্ন করে থাকেন.....
১। আসুন বসেন আপনার নাম?উত্তর: ধন্যবাদ স্যার, মো: .........( শিহাব )
২। এখন কোথায় আছেন?উত্তর: এস আর বিল্ডার্স অফিস পল্টন
৩। ওখানে আপনার দ্বায়িত্ব কি কি?উত্তর: প্রজেক্ট সুপারভিশন ও অফিস ম্যানেজমেন্ট
৪। আচ্ছা আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন?উত্তর: স্যার আমার বাড়ী বরিশাল আমি (... ) সালে এসএসসি, (.... ) সালে ডিপ্লোমা, ( .... ) সালে বিএসসি পাশ করি আমি বর্তমানে ( .... ) থাকি, এস আর বিল্ডার্স এ আছি।
৫। আপনী কি কাজ করতে ভাল পারেন?উত্তর: স্ট্রাকচার ও ফিনিশিং উভয় স্যার
৬। আমরা স্টাকচার এর লোক খুজছি?উত্তর: ঠিক আছে স্যার
৭। আপনী কি স্ট্রাকচার কাজ করেছেন?উত্তর: জি স্যার।
৮। লে আউট দিতে পারেন?উত্তর: জি স্যার
৯। একটা বিল্ডিং এ লে আউট দেওয়া আছে আপনী কি কি চেক করবেন
উত্তর: লে আউট চেক করতে গেলে প্রথমে যে লে আউট দিয়েছে তার সাথে কথা বলতে হবে সে কোন জায়গা থেকে শুরু করেছে, তারপর গ্রীড লাইন মাপ দেখে ডায়াগোনাল মাপ পরীক্ষা করতে হবে তারপর সেট ব্যাক চেক করতে হবে সব কিছু ঠিক থাকলে পাইল থাকলে পাইল পয়েন্ট চেক করতে হবে।
১০। বলুন তো বর্তমানে কোন কোন ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
উত্তর: বর্তমানে শ্যালো ফাউন্ডডেশন ও ড্রীপ ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
১১। ডীপ ফাউন্ডডেশন সম্পর্কে বলতে পারবেন।
উত্তর: জি স্যার
১২। পাইল করেছেন আপনী
উত্তর: জি স্যার করেছি
১৩।২০" পাইলে কাটার কত থাকে
উত্তর: ১৯" মিনিমাম
১৪। পাইল করার সকল যন্ত্রপাতির না জানেন বলুন
উত্তর: রিং বা তেপায়া, চিজেল বা কাটার, ফানেল, হপার বা বাকেট, ড্রিলিং রড, ট্রিমী পাইপ, মিক্সার মেশিন, ওয়েল্ডিং মেশিন, উন্স মেশিন, পানির পাম্প ইত্যাদি
১৫। খাচায় কি চেক করতে হয়।
উত্তর: খাচায় দেখার বিষয় ডিজাইন অনুযায়ী ডায়া,রিং,স্পেসিং,জয়েন্ট, ল্যাপিং,উচ্চতা, ওয়েল্ডিং ইত্যাদি। ১৬। আচ্ছা আমরা পাইল কেন করি
উত্তর: সয়েল টেস্ট অনুযায়ী মাটির ভারবহন ক্ষমতার চেয়ে ভবনের আগত লোড বেশি হলে ড্রীপ ফাউন্ডেশন করে মাটির শক্ত স্তরে লোড টান্সফেরেন্ট করার জন্য পাইল করি। ১৭। সয়েল টেস্ট রিপোট দেখছেন
উত্তর: জি স্যার দেখেছি
১৮। কি কি থাকে রিপোটে
উত্তর: মাটির ধরন, পানির লেভেল এসপিডি বলা থাকে।
১৯। এসপিডি কি
উত্তর: SPT=Standard penetation test.২০। পাইলে ওয়াস কেন দেওয়া হয়
উত্তর: বোরিং এর ভিতরের কাদা মাটি পরিষ্কার করার জন্য
২১। কত সময় দেওয়া হয়
উত্তর: ৩০ মিনিট বলা হয় কিন্তু পানি পরিষ্কার না আসা পর্যন্ত করলে ভাল
২২। পাইলের মসলায় স্লাম বেশী কেন দেওয়া হয়।
উত্তর: মসলা যেন কোন পানি না টানে কারন বোরিং এর পানি ময়লা থাকে।
২৩। পাইল শেষে কতদিন পরে পাইল ভাঙ্গা যায়
উত্তর: ২৮ দিন
২৪। কেন ভাঙ্গতে হয় বলতে পারবেন বলেন
উত্তর: ঢালায়ের সময় পাইলের নীচের কাদা নরম মাটি পাইল ঢালায় শেষে মাথায় এসে জমা হয় ফলে পাইলের মাথার কংক্রিট দুবল হয় সেই জন্য ভাঙ্গা হয় তাছাড়া পাইলের মাথার রড গুলো বাকিয়ে ফাউন্ডেশনের সাথে জয়েন্ট দেওয়ার জন্য. আমরা সাধারন্ত পাইল ক্যাপের বটম পযর্ন্ত বলি কিন্তু শক্ত ঢালায় ও রড না পাওয়া পযর্ন্ত ভাঙ্গতে হয়।
২৫। পাইলের কাভারিং কত
উত্তর: ৩"
২৬। ফুটিং পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে আপনার দেখার কি কি আছে
উত্তর: ফুটিং ও পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে করনিয় বিষয় সাটারিং চেক করা ছিদ্র আছে কিনা, ফুটিং সাথে পাইল রড বাইন্ডিং, ফুটিং এ রড স্পেসিং, ডিজাইন অনুযায়ী রডে ডায়া, জয়েন্ট গুলো চেক করা,পাইল ক্যাপের উপর দূবল কংক্রিট সড়ানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি.
সব থেকে গুরুত্ব পুনো হল কলামের সেন্টার আর পাইল ক্যাপের সিজি মেলানো
২৭। কলাম বীম ছাদে কাভারিং কত
উত্তর: কলাম ১.৫", বীম ১.৫", ছাদে ৩/৪"
২৮। সট ও লং রোড কোন আগে দিতে হয়
উত্তর: ফুটি এ লং রড আগে আর সট রড পরে বসবে, স্লাবে সট রড আগে লং রড পরে বসায়।
২৯। কলাম, বীম, ছাদ ঢালায়ের আগে কি করতে চেক করবেন।
উত্তর: সাটারিং, লেভেলিং সাটারিং বাশ বেসিং কভারিং,ডায়া,স্পেসিং, কোন ছিদ্র আছে কিনা।
পর্ব =১: (প্রথমে নিজে চেষ্টা করুন । তারপর উত্তর দেখুন)
১. সিমেন্টে জিপসাম কেন ব্যবহার করা হয়?
২.কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য যে কিউব ব্যবহার করা হয় তার সাইজ কত?
৩. ০.৪৫ ওয়াটার সিমেন্ট রেশিওতে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে কত লিটার পানি লাগে?
৪. লেইটেন্স কি?
৫.স্লাম্প টেস্ট করা হয় কিসের সাহায্যে?
৬. স্লাম্প কোণের উপরের ও নিচের ব্যাস কত?
৭. স্লাম্প কোণের উচ্চতা কত?
৮. কংক্রিটে ৫% ভয়েড থাকলে তার শক্তি কত % হ্রাস পায়?
৯. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহ্রত সিলিন্ডারের উচ্চতা ব্যাসের কত গুন?
১০. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য সিলিন্ডারের মাপ কত?
উত্তর:
১.সিমেন্টের সেটিং টাইম বিলম্বিত করার জন্য জিপসাম ব্যবহার করা হয়।
২. ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি.
৩. ২২.৫ লিটার।
৪. কংক্রিটে পানির পরিমান বেশি হলে বাধুনীগুন সম্পন্ন পদার্থ কংক্রিটের উপরিভাগে জমিয়া এক প্রকার সাদা স্তরের সৃষ্টি করে, তাকে লেইটেন্স বলে।
৫. স্লাম্প কোণের সাহায্যে।
৬. উপরের ব্যাস ১০ সেমি. ও নিচের ব্যাস ২০ সেমি.
৭. ৩০ সেমি.
৮. ৩০%
৯. দ্বিগুন
১০. ব্যাস ১৫ সেমি. ও উচ্চতা ৩০ সেমি.
পর্ব -২
১.লিন্টেলের পুরুত্ব কত?
২. পেরাপেট ওয়ালের উচ্চতা কত?
৩. ডিপিসি এর পুরুত্ব কত?
৪. সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব কত?
৫.এক ব্যাগ সিমেন্ট সমান কত ঘনমিটার?
৬. এক ব্যাগ সিমেন্ট কতটুকু জায়গা দখল করে?
৭.জলছাদের পুরুত্ব কত সেমি?
৮. চৌকাঠের সাইজ কত?
৯. এম.এস রডের ওজন বের করার সূত্র কি?
১০. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন কত?
উত্তর:
১. ১৫ সেমি.
২. এক মিটার।
৩. ২.৫ সেমি.
৪. ৬ মিমি.
৫. ০.০৩৩ ঘনমিটার (১.২৫ ঘনফুট)
৬. ০.৩ বর্গমিটার।
৭. ৭.৫ সেমি.
৮. ১০*৮ সেমি
৯. D2/162.2 ( D= রডের ব্যাস)
১০. ৭৮৫০ কেজি অথবা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
পর্ব -৩ =:
১.লিন্টেলের পুরুত্ব কত?
২. পেরাপেট ওয়ালের উচ্চতা কত?
৩. ডিপিসি এর পুরুত্ব কত?
৪. সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব কত?
৫.এক ব্যাগ সিমেন্ট সমান কত ঘনমিটার?
৬. এক ব্যাগ সিমেন্ট কতটুকু জায়গা দখল করে?
৭.জলছাদের পুরুত্ব কত সেমি?
৮. চৌকাঠের সাইজ কত?
৯. এম.এস রডের ওজন বের করার সূত্র কি?
১০. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন কত?
উত্তর:
১. ১৫ সেমি.
২. এক মিটার।
৩. ২.৫ সেমি.
৪. ৬ মিমি.
৫. ০.০৩৩ ঘনমিটার (১.২৫ ঘনফুট)
৬. ০.৩ বর্গমিটার।
৭. ৭.৫ সেমি.
৮. ১০*৮ সেমি
৯. D2/162.2 ( D= রডের ব্যাস)
১০. ৭৮৫০ কেজি অথবা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
পর্ব-৪:
সড়কের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নগুলা পড়েন।
১। রাইট অব ওয়ে কাকে বলে?
২। রাইট অব ওয়ে নির্ধারনে বিবেচ্য বিষয়গুলো কি কি?
৩। রাস্তার ক্ষেত্রে পার্শ্বঢাল কত ধরা হয়?
৪।বার্ম কি?
৫। শোল্ডার কাকে বলে? এর বিস্তার কত?
৬। ফুটপথের সর্বনিম্ন প্রশস্ততা কত?
৭।গাড়ি পার্কি এর জন্য কত মিটার জায়গা রাখা হয়।
৮।মেডিয়ান স্ট্রিপ কি?
৯। বরোপিট কাকে বলে?রাস্তা থেকে বরোপিটের দুরত্ব কত হওয়া উচিত?
১০। স্পয়েল ব্যাংক কাকে বলে?
১১। সাবগ্রেড দৃঢ়াবদ্ধ করার জন্য যে রোলার ব্যবহার করা হয় তার ওজন কত?
১২। সাবগ্রেডে যে বালির স্তর প্রয়োগ করা হয় তার পুরুত্ব কত?
১৩। সাববেসের পুরুত্ব কত?
১৪। ঢালাই করার সময় ব্যবহ্রত ফর্মার পুরুত্ব কত?
১৫. ঢালাই করার কত সময় ফর্মা অপসারন করতে হবে।
১৬। ঢালাইয়ে কংক্রিট মিশ্রনের অনুপাত কত?
১৭। কংক্রিট ঢালাইয়ের পর কত ঘন্টা কিউরিং করতে হবে?
১৮। বিটুমিন রাস্তা কাকে বলে?
১৯। প্রাইমকোটে কত উচ্চতায় পাথরকুচি বিছাতে হবে এবং পাথরকুচির সাইজ কত?
২০. প্রাইমকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২১। বিটুমিন পোড়ানোর তাপমাত্রা কত?
২২। ট্যাককোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২৩। সিলকোট কি?
২৪। সিলকোটে কত আকারের পাথরকুচি বিছানো হয়?
২৫। সিলকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
(ধন্যবাদ)
পর্ব -৫:
১. দালানের কয়টি অংশ ও কি কি? (২ টি অংশ। সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচার)
২. সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচারের অংশ সমূহ কি কি?
৩. প্লিন্থের উচ্চতা কত রাখা উচিত? (৪৫ সেমি – ৬০ সেমি.)
৪. জানালা কত উচ্চতায় হওয়া উচিত?(৭০ সেমি. -৮০ সেমি.)
৫. স্কাইলাইট, ফ্যানলাইট, সানলাইট, সানসেড ও কার্নিশ কোথায় ব্যবহ্রত হয়?
৬. ভেন্টিলেটর কি? কেন ব্যবহার করা হয়?
৭. সিল ও জ্যাম্ব কি?
৮. লিন্টেলের বিয়ারিং এবং গভীরতা কত? (বিয়ারিং ১০ সেমি. ও গভীরতা ১৫ সেমি.)
৯. সানসেড ও কার্নিশের মাপ কত? ( সানসেড ৩০ সেমি. -৪৫ সেমি., ও কার্নিশ ৪৫ সেমি. - ৬০ সেমি.)
১০. জলছাদ কি? এর পুরুত্ব কত? (পুরুত্ব ৭.৫ সেমি.)
১১. প্যারাপেট ওয়াল কি? এটি কোথায় নির্মান করা হয়? (ছাদের চারদিকে উচু করে যে ওয়াল তৈরি করা হয়)
১২. প্যারাপেট ওয়াল কত উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়? (৭৫ সেমি. – ৯০ সেমি.)
১৩. কোপিং কি? কোথায় নির্মাণ করা হয়? (প্যারাপেট ওয়ালের উপরে
পর্ব -৬:
১. ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?
২. ফ্লাইট কাকে বলে? একটি ফ্লাইটে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা কত?(সর্বনিম্ন ৩ টি এবং সর্বোচ্চ ১৫ টি)
৩. ট্রেড ও রাইজারের মাপ কত? ( ট্রেড ২২.৫ সেমি. – ৩০ সেমি. এবং রাইজার ১২-১৯ সেমি)
৪. নোজিং কি এবং এর মাপ কত? ( ১ ইঞ্চি থেকে ১.৫ ইঞ্চি)
৫. সফিট কাকে বলে? (সিড়ির স্লাবকে সফিট বলে)
৬. হেডরুম কাকে বলে এবং এর উচ্চতা কত? (২.১০ মিটার)
৭. সিড়ির ঢাল কত ডিগ্রির মধ্যে হওয়া উচিত?( ২৫° -৪০° এর মধ্যে)
৮. সিড়ির প্রস্থ বাসভবন ও গনভবনের জন্য কত হওয়া উচিত? ( ৯০ সেমি. ও ১.৫ মিটার)
৯. কোয়ার্টার টার্ন সিড়ি ও ডগলেগড সিড়ি কাকে বলে?
১০. ট্রেড ও রাইজারের সংখ্যা বের করার নিয়ম কি?
১১. ট্রেড ও রাইাজারের মধ্যে সম্পর্ক কি?
১২. ভিত্তি কাকে বলে? ভিত্তির কাজ কি?
১৩. অগভীর ভিত্তি ও গভীর ভিত্তি কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?
১৪. ভিত্তির গভীরতা নির্ণয়ে র্যা ঙ্কিন এর সূত্রটি লেখ।
. 1.ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ
সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি
ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
3. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০
কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
4. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি
এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
5. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের
ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য
ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬%
হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং
এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার
এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র
=d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার
জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড়
সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি
কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের
সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা
দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫
মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং
২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক
ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির
অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ
৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১
মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০
সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে
১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম
এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব
বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য:
(১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং
প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা
১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের
ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট
বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।
পব: ০৭
ক্লিয়ার কভার মেইন (রড) বারের জন্য:
১.ফুটিং:৫০ মি মি
২.র্যা ফট ফাউন্ডেশন.(টপ):৫০ মি মি
৩.র্যা ফট ফাউন্ডেশন.(বটম/সাইড):৭৫ মি মি
৪.স্ট্রাপ বিম:৫০ মি মি
৫.গ্রেড স্লাব:২০ মি মি
৬.কলাম:৪০ মি মি
৭.শিয়ার ওয়াল:২৫ মি মি
৮.বিম:২৫ মি মি
৯.স্লাব:১৫ মি মি
১০.ফ্লাট স্লাব:২০ মি মি
১১.স্টেয়ার কেস:১৫ মি মি
১২.রিটেইনিং ওয়াল:২০/২৫ মি মি অন আর্থ
১৩.ওয়াটার রিটেইনিং স্ট্রাকচার:২০/৩০ মি মি
১৪.কাস্ট ইন সিটু পাইল :৪৫০/৫০০ ডায়া মি,৫০ মি মি,৬০০ মি মি ডায়ামিটরি

====

বাড়ি নির্মাণে প্রয়োজনীয় বিষয় ও সতর্কতা :
১.জমি নির্বাচনে লক্ষ্যনীয় বিষয়
২.সয়েল টেস্ট এর পূর্বে বিবেচ্য বিষয়
৩.মিস্ত্রি নিয়োগে বিবেচ্য বিষয়
৪.ভবনের লে-আউট দেয়ার নিয়ম
৫.ভবনে ড্যাম এর কারণে যে ক্ষতি হয়
৬.কিউরিং করার বিভিন্ন পদ্ধতি
৭.ভবনের প্লিন্থ লেভেল P.L নির্ণয়

====
প্লাস্টার করার নিয়ম বা পদ্ধতি
« প্লাস্টার করার পূর্বে আর.সি.সি আর ব্রিকের সারফেস ভাল করে পানি দিয়ে ভিজাতে হবে।
« সিমেন্ট মর্টার দিয়ে ৩”*৩” @ ৫ থেকে ৬ ফুট পর পর পায়া করতে হবে।
« সারফেসে গ্রাউটিং দিতে হবে।
« অবশ্যই থিকনেস ঠিক রাখতে হবে ব্রিক ওয়ালে ১” ও আর.সি.সি সারফেসে ০.৭৫” থিকনেসে প্লাস্টার করতে হবে।
সতর্কতাঃ-
« কোন অবস্থাতেই প্লাস্টারে শুকনা মসল্লা বা বুড়া মারা যাবে না।
« এলুমিনিয়্যাম পাট্টা বা স্পিরিট লেভেলের সাহায্যে প্লাস্টার সারফেস চেক করতে হবে।
« প্লাস্টার করার পর মনে রাখার জন্য প্লাস্টারের গায়ে তারিখ লিখে রাখতে হবে।
« প্লাস্টার করার ২৪ ঘন্টা পর কমপক্ষে ৭ দিন দিনে ৩-৪ বার কিউরিং করতে হবে।

=====

প্লাস্টারের পদ্ধতি বিস্তারিতঃ-
-----------------------------------------------------------------------
🔸প্রাথমিক প্রস্তুতি:
দেয়াল পরিষ্কার করা এবং ধুলো-ময়লা সরানো।
প্রয়োজনে পৃষ্ঠ ভিজিয়ে নেয়া।
🔸মিশ্রণ তৈরি:
সঠিক অনুপাতে প্লাস্টারের উপাদান (চুন/সিমেন্ট/জিপসাম) এবং জল মেশানো।
মিশ্রণটি সমান ও গলদহীন হওয়া নিশ্চিত করা।
🔸প্লাস্টার প্রয়োগ:
প্রথম স্তর (Scratch Coat): দেয়ালের পৃষ্ঠে প্লাস্টারের প্রথম স্তর প্রয়োগ করা।
দ্বিতীয় স্তর (Finish Coat): প্রয়োজনে মসৃণ ও সমতল করার জন্য প্রয়োগ।
🔸সমাপ্তি ও শুকানো:
পৃষ্ঠ সমান করে ফিনিশিং দেয়া।
প্লাস্টার সম্পূর্ণ শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়া।
🔸পালিশ বা রঙ করা:
শুকানোর পর পৃষ্ঠ রঙ বা পালিশ করার জন্য প্রস্তুত।
====

কলাম ঢালাই করার নিয়ম / Column casting Rules
কলামের . উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ।
রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া আছে। অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথরের ঢালাই, সাথে 100% সিলেট বালি।
1. কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন।
2. পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা মিস করবেন না।
3. এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন।
4. সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
5. সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
6. মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।
7. এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
8. ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।
9. ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
10. ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
11. একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন।
12. পরের দিন সাটার খুলবেন না। 1 দিন সময় দিন শক্ত হতে। তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
13. তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। আমারোও ভালো লাগতো।
14. এরপর কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কিউরিং।

====

কলাম ঢালাই করার নিয়ম ও কিকার নিয়ে আলোচনা।
গতোকাল আমি এবং আমার কলিগ প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবু সুফিয়ান ভাই সুশীলন এর একটা ''ওয়াটার প্লান্ট প্রজেক্টের'' ওয়াটার রিজার্ভ ট্যাংক এর কলামের সাটারিং এবং রডের অন্যান্য কাজ চেকিং করার শেষে হঠাৎ মনে হলো ছোট আকারে একটা পোস্ট করা যেতে পারে তাই দেওয়া।
>>> কলামের উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ।
>>> রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া থাকে, অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথরের ঢালাই (নরমাল কিছু কাজের ক্ষেত্রে খোয়া দিয়ে ঢালাই কাজ করা হয়) সাথে 100% সিলেট বালি।
>>> কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন।
>>> কিকারঃ ফুটিং, স্ল্যাব ও বিমের উপর একটি কলাম রেডি করার পূর্বে তার নিচে স্বল্প উচ্চতার যে কলামটি ঢালাই করা হয় তাকে কিকার বলে।
>>> মূলত কলাম এর পজিশন, এলাইনমেন্ট, ফর্মওয়ার্ক ঠিক রাখার জন্য কিকার তৈরি করা হয়।
>> কাঠ/স্টিলের সাটারের সাথে ফর্মওয়ার্ক তৈরী করা হয়।
>>> কিকারের উচ্চতা ৩"-৬" হয় তবে স্টিল সাটার ব্যবহার করলে ৬"-৯" পর্যন্ত উচ্চতার কিকার তৈরী করা যায়।
>>> সাটার লাগানের পূর্বে কলামের মূল রড, টাই ও ভিতরের সকল ময়লা স্টিল ব্রাস ও ফোর্স ওয়াটার দিয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে।
>>> কিকার তৈরীর স্থানে কোন অবস্থাতেই পানি থাকবে না।
>>> পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা মিস করবেন না।
>>> এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন।
>>> সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন।
>>> সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
>>> মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।
>>> এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
>>> সাটার ঠিক রাখার জন্য GI তার & CC Block ব্যবহার করা হয়।
>>> ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।
>>> ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
>>> ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
>>> একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন।
>>> পরের দিন সাটার খুলবেন না, 1 দিন সময় দিন শক্ত হতে তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
>>> তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে আমারোও ভালো লাগে।
>>> এরপর কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কিউরিং, কলাম ঢালাই করার পর ২১-২৮ দিন কিউরিং করতে হবে কোন ইমার্জেন্সি ক্ষেত্রে ১৪/১৮ দিন করা যেতে পারে।
*************************
ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?
>>> কংক্রিট স্থাপনার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক শক্ত এবং সঠিক অবস্থানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
>>> কংক্রিট স্থাপন করার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক ভালোভাবে তৈলাক্ত করতে হবে।
>>> কংক্রিট স্থাপনার সময় ফর্মওয়ার্ক আলোড়িত বা নড়াচড়া করা চলবে না।
>>> অবিরামভাবে কংক্রিট স্থাপন করতে হবে।অর্থাৎ অনিয়মিতভাবে কংক্রিট স্থাপন করা যাবে না।
>>> ১ মিটারের বেশি উচু স্থান থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত নয়।এতে কংক্রিটের উপাদানসমূহের সেগ্রিগেশন ঘটে।
>>> কংক্রিট খাড়াভাবে ফেলা যাবে না।
>>> বৃষ্টির মধ্যে কংক্রিট স্থাপন করা উচিত নয়।
>>> হাটা অবস্থায় বা দাঁড়িয়ে কংংক্রিট ঢালতে নেই।
>>> যতদূর সম্ভব খুব নিকট থেকে কংক্রিট ফেলতে হবে।
>>> প্রাথমিক জমাট বাধা সময় আরম্ভ হওয়ার পূর্বেই কংক্রিট স্থাপন এবং কম্পাকসন করা উচিত।
>>> কম্পাকসন করার সময় যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কংক্রিটকে পুনঃস্থাপন করতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
>>> রডের স্প্যাসিং, রড সঠিক অবস্থানে থাকা অর্থাৎ ড্রইং অনুযায়ী হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
সর্বপরি, ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না।
>>> কলামে ল্যাপিং চেক করে নিতে হবে, কলামের উপরে ও নিচে অর্থাৎ L/4 অংশে ২৫% মাঝখানে অর্থৎ L/2 অংশে ৫০% হারে ল্যাপিং দিতে হবে।
>>> কলামের ফুটিং ও কলাম এই দুটির অবস্থান কি রকম হবে সেটা দেখে নিতে হবে, কলামের ফুটিং এর সেন্টার লাইন ও কলামের সেন্টার লাইন একই মধ্যবিন্দু.

===

কলামে রড বাধার সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করতে হয়। এগুলো সঠিকভাবে মেনে চললে কাঠামোর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. নকশা অনুযায়ী কাজ করা
ইঞ্জিনিয়ারের নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী রডের আকার, সংখ্যা এবং বিন্যাস মেনে চলা।
ওভারল্যাপ বা ল্যাপিং দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে নিশ্চিত করা।
২. রডের মান পরীক্ষা
রডের গুণমান নিশ্চিত করা (উন্নত মানের টিসটেড রড ব্যবহার করা)।
রডে কোনো ক্ষয় বা মরিচা আছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
৩. স্পেসিং নিশ্চিত করা
রডের মধ্যে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখা।
স্পেসার ব্যবহার করে রডের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করা।
৪. বাঁধার পদ্ধতি
শক্ত করে বাঁধার জন্য ভালো মানের বাইন্ডিং তার ব্যবহার করা।
রড বাঁধার সময় এটি যেন সরল ও সঠিক অবস্থানে থাকে।
৫. কভারিং নিশ্চিত করা
কংক্রিটের কভারিং নির্ধারিত থাকলে কাঠামো সুরক্ষিত থাকে।
কাঠ বা প্লাস্টিকের কভার ব্লক দিয়ে কভারিং বজায় রাখা।
৬. প্লাম্বিং ও লাইনিং পরীক্ষা করা
কলামের রড যেন সোজা ও খাড়া থাকে।
থিওডোলাইট বা লেভেল মেশিন দিয়ে লাইনিং পরীক্ষা করা।
৭. সেফটি মেনে চলা
রড বাঁধার সময় সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করা।
কাজের সময় শ্রমিকদের সতর্ক থাকতে বলা।
৮. পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা
রড বাঁধার পর বৃষ্টি বা জল থেকে রডকে রক্ষা করা।
কাজের স্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখা।
এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে মেনে চললে কলামের স্থায়িত্ব ও দীর্ঘস্থায়ী শক্তি নিশ্চিত হয়।

====

ইঞ্জিনিয়ার: আসসালামু আলাইকুম, হাবিব ভাই! কেমন আছেন?
রাজমিস্ত্রী হাবিব: ওয়া আলাইকুমুস সালাম, স্যার। আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?
ইঞ্জিনিয়ার: আলহামদুলিল্লাহ। আজকের কাজ কেমন চলছে?
হাবিব: স্যার, আজ আমরা পিলারের ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। রড বাঁধার কাজ প্রায় শেষ।
ইঞ্জিনিয়ার: খুব ভালো। আপনি কি রডের মাপ এবং স্পেসিং ঠিকমতো চেক করেছেন?
হাবিব: জি স্যার, ডিজাইনের ড্রইং অনুযায়ী ৮ ইঞ্চি স্পেসিং রেখেছি। একবার আপনি দেখে নিলে ভালো হয়।
ইঞ্জিনিয়ার: ঠিক আছে। আর সিমেন্টের গুণগত মান চেক করেছেন তো?
হাবিব: জি স্যার, সিমেন্ট ভালো অবস্থায় আছে। বালু আর খোয়ার মিশ্রণও চেক করেছি।
ইঞ্জিনিয়ার: দারুণ। সাবধানতা অবলম্বন করবেন। ঢালাইয়ের সময় প্রচুর পানি ব্যবহার করবেন যেন ফাটল না ধরে।
হাবিব: নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার। আমি নিজে দাঁড়িয়েই তদারকি করবো।
ইঞ্জিনিয়ার: ভালো। আরেকটা বিষয়, গাইডলাইনে যে নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে, তা যেন মেনে চলা হয়।
হাবিব: অবশ্যই স্যার। শ্রমিকদের সবাইকে হেলমেট এবং গ্লাভস পরতে বলেছি।
ইঞ্জিনিয়ার: চমৎকার। আপনার কাজের উপর আমার সম্পূর্ণ ভরসা আছে, হাবিব ভাই।
হাবিব: ধন্যবাদ স্যার। আপনার নির্দেশনা পেলেই কাজ করতে আনন্দ লাগে।
ইঞ্জিনিয়ার: ঠিক আছে, কাজ শেষ হলে আমাকে জানাবেন। আল্লাহ হাফিজ।
হাবিব: আল্লাহ হাফিজ স্যার।
ইঞ্জিনিয়ার এবং মিস্ত্রীর সমন্বয়ে একটি প্রজেক্টের কাজ সুন্দর শেষ হয়।

====

#বাড়ির মালিক মিস্ত্রীর সাথে কি ধরনের ব্যবহার করবেন তার উপর কাজের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে। একটি কথপোকথনের নমুনা দেওয়া হল-
দয়াকরে করে শেয়ার করুন 🥰
বাড়ির মালিক: আসসালামু আলাইকুম, মিস্ত্রি সাহেব। কাজ কেমন চলছে?
মিস্ত্রি: ওয়ালাইকুম আসসালাম, ভালো চলছে। আজ আমরা দ্বিতীয় তলার কলামগুলোর কাজ শেষ করেছি।
বাড়ির মালিক: খুব ভালো। তবে আমি শুনলাম, কিছু উপকরণ আজ সময়মতো আসেনি। এটা ঠিক হয়েছে?
মিস্ত্রি: জি, কিছুটা দেরি হয়েছিল। কিন্তু আমরা সেটার সমাধান করেছি। বাকিটা কালকের মধ্যে ঠিকঠাক হয়ে যাবে।
বাড়ির মালিক: অসুবিধা হলে আমাকে আগেই জানান। আমি সরবরাহকারীদের সঙ্গে কথা বলতে পারি।
মিস্ত্রি: জি, অবশ্যই। তবে আমরা চেষ্টা করছি যেন আপনাকে বিরক্ত না করতে হয়।
বাড়ির মালিক: ধন্যবাদ। আর কাজের মান নিয়ে কিছু বলুন। সব ঠিকঠাক হচ্ছে তো?
মিস্ত্রি: জি, আমরা আপনার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করছি। সিমেন্ট ও রডের মিশ্রণ সঠিক অনুপাতে ব্যবহার করছি।
বাড়ির মালিক: দারুণ! তবে আমি চাই প্রতিটি স্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর ভালোভাবে পরীক্ষা করা হোক।
মিস্ত্রি: জি, সেটা আমরা করছি। প্রথম তলার স্ল্যাব পরীক্ষায় সবকিছু ঠিক ছিল। দ্বিতীয় তলার জন্যও একইভাবে পরীক্ষা করব।
বাড়ির মালিক: খুব ভালো। শ্রমিকদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা ঠিক আছে তো?
মিস্ত্রি: জি, সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। আপনার ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
বাড়ির মালিক: এটা শুনে ভালো লাগল। আর কাজের সময় যেন সবাই নিরাপত্তা মেনে চলে, সেটা দেখবেন।
মিস্ত্রি: জি, আমরা সবাই সেফটি জিনিস পত্র ব্যবহার করছি। আপনার চিন্তা করতে হবে না।
বাড়ির মালিক: ধন্যবাদ। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষ হবে।
মিস্ত্রি: ইনশাআল্লাহ। আমরা সময়মতো কাজ শেষ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
বাড়ির মালিক: ঠিক আছে। আপনি যদি কিছু দরকার মনে করেন, সরাসরি আমাকে বলবেন।
মিস্ত্রি: অবশ্যই। ধন্যবাদ।
বাড়ির মালিক: আপনাকেও ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ।
মিস্ত্রি: আল্লাহ হাফেজ।
এভাবে নিয়মিত যোগাযোগ ও আন্তরিক কথোপকথন কাজের মান বজায় রাখতে এবং দ্রুত সমাধান আনতে সাহায্য করে।

====


====

#কেন বাড়ি তৈরির জন্য ডিজাইন প্রয়োজন?
ডিজাইন হলো একটি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এটি ভিজ্যুয়াল বা কাঠামোগত আকারে হতে পারে এবং এতে বিভিন্ন ধারণা, উপাদান, এবং কার্যকারিতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। বাড়ি তৈরির জন্য ডিজাইন হলো একটি বিস্তারিত নকশা বা পরিকল্পনা যা বাড়িটির কাঠামো, আকার, কার্যকারিতা এবং সৌন্দর্য নির্ধারণ করে।
বাড়ি তৈরির জন্য ডিজাইন প্রয়োজনের কারণ:
1. পরিকল্পনা ও সংস্থা:
ডিজাইন বাড়ি তৈরির প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা এড়াতে সঠিক পরিকল্পনা নিশ্চিত করে।
2. অর্থ সাশ্রয়:
সঠিক ডিজাইন থাকলে বাড়ি তৈরির সময় অপ্রয়োজনীয় খরচ এবং বর্জ্য এড়ানো যায়।
3. স্থায়িত্ব ও সুরক্ষা:
ডিজাইন বাড়ির স্থাপত্যগত দৃঢ়তা এবং পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয় নিশ্চিত করে।
4. আবস্থান ও ব্যবহার:
বাড়ির ভেতরের জায়গাগুলি কীভাবে ব্যবহার হবে, সেটি ডিজাইনের মাধ্যমে আগেই নির্ধারণ করা যায়।
5. সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্ব:
একটি ভালো ডিজাইন বাড়ির বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যকে উন্নত করে এবং বাড়ির মালিকের ব্যক্তিত্ব প্রতিফলিত করে।
6. আইনি অনুমোদন:
অনেক ক্ষেত্রে বাড়ি তৈরির জন্য পৌরসভা বা স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সঠিক ডিজাইন ছাড়া এই অনুমোদন পাওয়া কঠিন।
সুতরাং, ডিজাইন কেবল একটি নকশা নয়, এটি বাড়ি তৈরির একটি অপরিহার্য অংশ যা সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকারিতা, এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়ক।

===

#কেন বাড়ি তৈরি করতে ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন?
বাড়ি নির্মাণ করতে ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন কারণ তারা একটি নিরাপদ, টেকসই এবং কার্যকরী ভবন নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর কিছু প্রধান কারণ হলো:
1. নকশা ও পরিকল্পনা: ইঞ্জিনিয়াররা সঠিক নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেন, যা ভবনের স্ট্রাকচার এবং ব্যবহারযোগ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
2. নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: তারা নিশ্চিত করেন যে ভবনটি ভূমিকম্প, ঝড়, বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করতে সক্ষম।
3. উপকরণের সঠিক ব্যবহার: ইঞ্জিনিয়াররা জানেন কোন উপকরণ কোথায়, কতটুকু ব্যবহার করতে হবে। এটি খরচ কমায় এবং ভবনের স্থায়িত্ব বাড়ায়।
4. আইন ও নিয়ম মেনে চলা: তারা স্থানীয় বিল্ডিং কোড এবং নিরাপত্তা নিয়মাবলী অনুযায়ী কাজ করেন, যা আইনগত সমস্যা এড়াতে সাহায্য করে।
5. খরচ নিয়ন্ত্রণ: ইঞ্জিনিয়াররা বাজেট অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা করেন এবং অপচয় এড়িয়ে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেন।
6. কাজের গুণগত মান: ইঞ্জিনিয়াররা নির্মাণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ করেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয়।
এক কথায়, ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া একটি বাড়ির স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করা কঠিন।

====
বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের সাথে খুব-ই গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি আসে তা হলো নির্মাণ খরচ।
খরচ কমিয়ে বাড়ি করার কিছু পরামর্শ দেয়া হলো
পর্ব-১ ------------------------------------------------------------
🔸 কেমন সাইজের কতটি রুম হবে, টয়লেট, রান্নাঘর, ড্রইং,ডাইনিং হবে কিনা, আরও কি কি বাড়িতে থাকতে পারে এগুলো নিজেঠিক করুন। কাজ চলাকালীন অনেকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, একারণেই তখন অপরিকল্পিতভাবে বাড়ি হয় এবং এর জন্য কাজের খরচ বৃদ্ধি পায়।
🔸ধরুন আপনার সামর্থ্য নেই কিন্তু পাঁচ তলা বাড়ি করবেন; শুরু করলে শেষ হয়ে যাবে, এসব চিন্তা থেকে সরে আসুন। সামর্থ্য যদি থাকে সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি করার, তাহলে তাই করুন। আবেগ এবং বাস্তবতা ভিন্ন জিনিস।
🔸বাড়ির সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকলে সবার আগে তা মিটিয়ে ফেলুন। কাজ চলাকালীন প্রতিবেশি কিংবা আত্নীয়দের মধ্যে সীমানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে সেই কাজটুকুই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
🔸প্রায় দেখা যায় অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন দিয়ে মাটির নিচে টাকা ফেলে রাখে ভবিষ্যত এর জন্য। ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে কাজ শুরু করলেও ১ তলা বাড়ির লিন্টেল পর্যন্ত কাজ করার পর টাকার অভাবে আর কোন কাজ করতে পারে না।
🔸 আপনি কতটুকু জায়গা নিয়ে বাড়ি করবেন, বাড়ি কত তলা হবে , কয়টা রুম ও আর কি কি থাকবে, আপনার বাজেট ইত্যাদি একজন আর্কিটেক্টকে বুঝিয়ে বলুন। আর্কিটেক্ট আপনার চাহিদা অনুযায়ী আপনার বাড়ির ফ্লোর প্লান এবং আউটলুক ডিজাইন করবেন। এতে আপনার খরচ সাশ্রইয়ী হবে।
🔸 ইউটিউবে একটা বাড়ির ডিজাইন দেখেছেন, সেই বাড়িটি পছন্দ হয়েছে সেটাই করতে হবে এগুলো ভুলে যান,সে কিন্তু আপনার বাজেট এবং আপনার মন মত ডিজাইন করে রাখে নি। এই সব বিষয় এড়িয়ে চললে খরচ সাশ্রয়ী হতে পারে।
=====

রিনফোর্সমেন্ট এ কেন কভার ব্লক ব্যবহার হয়?
------------------------------------------------------------------------
★কভার ব্লক কি ?
কভার ব্লক মূলত একটি স্পেসার যা রিনফোর্সমেন্ট রিবার ম্যাট্রিক্সটি কে বেজমেন্ট(Base) থেকে কিছুটা উপরে উত্তোলন করতে ব্যবহৃত,যারা ফলে রিনফর্সমেন্ট ম্যাট্রিক্স এবং বেজমেন্ট (Base) এর মধ্যে কিছুটা স্পেস তৈরী হয়। যখন কনক্রিট ঢালাই করা হয় তখন এই স্পেস থাকার ফলে কনক্রিট রিবারের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
Concrete Cover Block
★স্পেসিফিকেশনঃ
রিবারের ক্ষয় প্রতিরোধ করার জন্য, এটি কংক্রিটে সম্পূর্ণভাবে ভিতরে সংযুক্ত করা প্রয়োজন। কোড অনুসারে, সাধারণত এই কভার 2 থেকে 3 ইঞ্চি প্রয়োজন।
সুতরাং কভার ব্লক দ্বারা rebar প্রায় 2 থেকে 3 ইঞ্চি উপরে উঠানো হয় এবং ঢেলে কংক্রিট একটি স্থায়ী এবং এটিও কনক্রিটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠে।
★এডভান্টেজঃ
১. Rebar sags প্রতিরোধ করে।
২. ঢালাই এ প্রয়োজনীয় কনক্রিট কভারেজ নিশ্চিত করে।
★কভার ব্লকের প্রকার
ব্যবহৃত উপাদান ধরনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের আবরণ ব্লক আছে: –
1. কাঠের কভার ব্লক।
2. ইস্পাত কভার ব্লক
3. পিভিসি ব্লক
4. সিমেন্ট সিলভার কভার ব্লক
5. অ্যালুমিনিয়াম কভার ব্লক
6. স্টোন কভার ব্লক
★কেন কভার ব্লক ব্যবহৃত হয়?
1. রিবার এবং শাটারিংয়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার জন্য।
2. রিনফোর্সমেন্ট বার কে পরিবেশগত প্রভাব ও ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে।
3. তাপ নিরোধক প্রদান, যা অগ্নি থেকে রিনফোর্সমেন্ট বার কে রক্ষা করে।
4.স্লিপিং প্রতিরোধ করে স্ট্রেস নিতে সাহায্য করে।
=====
কনস্ট্রাকশন সেফটি / নিরাপত্তাঃ-
Engr. Rayhanul Hassan Bhuiyan.
B.Sc Engr in Civil (Fu)
------------------------------------------------------------------------
কনস্ট্রাকশনের কারণে দুর্ঘটনা অনেক সময় হয়ে থাকে। ডিজাইনের কারণে অথবা কাজের সময় অবহেলার কারণে। আগে কনস্ট্রাকশন কাজের সময় অনেক দুর্ঘটনা হতো। তাই বর্তমানে কনস্ট্রাকশনের কাজের সময় একটি স্লোগান প্রচলতি করা হয়েছে।
"সেফটি ফার্ষ্ট " বা "নিরাপত্তাই প্রধান"।
আমাদের কনস্ট্রাকশন করার সময় এই নিরাপত্তার দিকে ভালভাবে খেয়াল রাখতে হবে। আর এর জন্য কিছু করণীয় নিচে দেয়া হলো।
সাইনবোর্ড তৈরিঃ- সাইটের কাজের সময় বিভিন্ন ধরণের সাইনবোর্ড তৈরি করার প্রয়োজন হতে পারে এদের কিছু উদারণ দেয়া হলো।
সাইটের বাহিরের জন্যঃ-
১। সাবধান, কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে।
২। পার্কিং নিষিদ্ধ।
৩। পাশ কেটে চলুন।
সাইটের ভেতরেঃ-
১। ধুমপান নিষিদ্ধ
২। ভয়েড বা ফাকা স্থান, সাবধান
৩। সাবধান, বৈদ্যুতিক এলাকা
সেফটি ট্রেঃ-
উপরের কাজ করার সময় ছাদ বা ফ্লোরের চারিদিকে ফাকা থাকে। বীম বা কলাম বা ছাদের সাটার খোলা ও অন্যান্য কাজের সময় মানুষ বা অন্যকিছু নিচে পড়ে যেতে পারে। তাই এর চারিদিকে ট্রে দেওয়া হয়। প্রতি তিন তলা পরপর এই ট্রে দেওয়া জরুরী। সি.আই শীঠ ও লোহার এঙ্গেল এর সাহায্যে এই ট্রে দেওয়া হয়।
সেফটি ট্রের চওড়া সাধারণত আট ফুট হয়ে থাকে।
সেফটি নেটঃ-
জাল বা ছিদ্র যুক্ত শক্ত কাপড় দিয়ে এই নেট দেয়া হয় বিল্ডিং এর চতুর্পাশে। যাতে করে কোন কিছু পড়লে তা সাইটের বাইরে না ছিটকে পড়ে। এই নেট খাড়া থাকে এবং যেই ফ্লোরে কাজ হবে, সেই ফ্লোর পর্যন্ত করা হয়ে থাকে।
যাতে করে ঐ ফ্লোরে কাজ করার সময কোন কিছু সীমানার বাইরে ছিটকে না পড়ে।
ব্যাক্তিগত নিরাপত্তাঃ-
সাইটের সার্বিক নিরাপত্তা ছাড়াও কর্মিদের নিজস্ব নিরাপত্তারও কিছু ব্যবস্থা করতে হবে।
১। কোন কাজের সময় মাথায় শক্ত কোন কিছু দিয়ে আঘাত লাগার সম্ভাবনা থকলে অবশ্যই হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
২। জ্যাকেট বা বেল্ট, কোন উচু জায়গাতে কাজ করার সময় এই বেল্ট ব্যবহার করা হয়। যাতে করে পড়ে গেলে এই বেল্ট ধরে রাখে। যেখানে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে সেখানে অবশ্যই এই বেল্ট পড়ে কাজ করতে হবে।
তিন মিটার উপরে এই বেল্ট লাগানো অবশ্যই জরুরী।
৩। ওয়েল্ডিং করার সময় আই শিল্ড বা কালো চশমা অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।
৪। ভয়েড সেফটিঃ- কোথাও কোন ভয়েড বা পাঞ্চ বা ফাঁকা থাকলে, যেখান থেকে পড়ে আহত হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন লিফট কোর, ওয়াটার রিজারভার, এয়ার ডাক্ট বা বড় কোন সেনেটারি ডাক্ট। সেই জন্য এটি ঢেকে দিতে হবে অথবা এর চারিদিকে অস্থায়ী বেড়া দিতে হবে ও সাইনবোর্ড দিতে হবে।
অগ্নি নিরাপত্তাঃ-
১। যেসকল স্থানে আগুন লাগার সম্ভাবনা আছে, সেই সকল স্থানে ধুমপান নিষিদ্ধ করতে হবে।
২। সেই জন্য "ধুমপান নিষিদ্ধ" ইনবোর্ড দেয়া যেতে পারে।
৩। বালি ও পানি রাখতে হবে কাছাকাছি এবং ফায়ার এক্টিংগুইশার রাখতে হবে।
বৈদ্যুতিক নিরাপত্তঃ- এটিও একটি খুব গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। বৈদ্যুতিক লাইনের দিকে সবময় খেয়াল রাখতে হবে। বৈদ্যুতিক কাজে কখনও একজনকে পাঠানো যাবে না। খালি পায়ে বৈদ্যুতিক কাজ করা যাবে না। বৈদ্যুতিক সার্কিট খোলা রাখা যাবে না এবং পানি থেকে নিরাপদ দুরে রাখতে হবে।
অন্যান্যঃ- এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ যেকোন ধরণের স্বাস্থ্য ঝুকির সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে সেই ধরণের খেয়াল রাখতে হবে ও ব্যবস্থা নিতে হবে।
যেমনঃ-
১। ফাস্ট এইড বক্স রাখতে হবে এবং এর মধ্যে ব্যান্ডেজ, সেভলন, ঔষধ থাকতে হবে।
২। হোয়েষ্ট ব্যবহার করলে এই সেটিং ঠিকমত হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
৩। কোন বদ্ধ জায়গায় কাজ করতে গেলে অবশ্যই পর্যাপ্ত বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।
যেমন - পানির ট্যাংক, মাটির নিচের কোন কাজ ইত্যাদি।
=====
রড বাঁকা করার স্থানে মরিচা ধরার (corrosion) কারণঃ-
মাইক্রো-ক্র্যাক বা ফাটল সৃষ্টি:-
----------------------------------------------------------------------
বাঁকানোর সময় রডের বাইরের অংশে অতিরিক্ত টেনসাইল স্ট্রেসের কারণে মাইক্রো-ক্র্যাক তৈরি হয়। এই ছোট ফাটলগুলোতে পরিবেশ থেকে আর্দ্রতা, অক্সিজেন, এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ সহজে প্রবেশ করে, যা মরিচা ধরার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।
১। স্ট্রেস কন্সেনট্রেশন (Stress Concentration):
বাঁকানোর স্থানে স্ট্রেস বেশি থাকে, ফলে ওই অংশটি রাসায়নিক আক্রমণের (chemical attack) জন্য বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।
২। প্রতিরোধী স্তরের ক্ষতি (Loss of Protective Layer):-
রডের বাইরের অংশে প্রাকৃতিকভাবে একটি পাতলা অক্সাইড স্তর থাকে, যা জং ধরতে বাধা দেয়। বাঁকানোর সময় এই স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং ওই অংশে মরিচা ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়।
৩। আর্দ্রতা ও দূষণের প্রভাব:-
বাঁকানো স্থানে ফাটল বা অসমতলতার কারণে ধুলো, পানি, এবং দূষিত পদার্থ জমতে পারে। এগুলো ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে মরিচা ধরার কারণ হয়।
৪। ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল রিঅ্যাকশন:-
বাঁকানো অংশে ভিন্ন ভিন্ন স্ট্রেস লেভেল থাকার কারণে গ্যালভানিক সেল (galvanic cell) তৈরি হতে পারে। এতে রডের একটি অংশ অ্যানোড এবং অন্য অংশ ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে, যা মরিচা ধরার হার বাড়িয়ে দেয়।
প্রতিরোধের উপায়:-
-----------------------------------------------------------------------
১। বাঁকানোর পর রডে অ্যান্টি-করোশন পেইন্ট বা প্রটেক্টিভ কোটিং ব্যবহার যেতে পারে।
২। আর্দ্র পরিবেশে রড যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।

=====
টেট্রাপড কংক্রিট কি?
(এই কংক্রিট ব্লকগুলো আমরা মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে সাগরে পাড়ে সুপার ডাইক রাস্তার পাশে দেখা যায়।)
ছবিতে দেখছেন নাইজেরিয়ার ইকো আটলান্টিক শহরে টেট্রাপড কংক্রিট স্ট্রাকচার এর মাধ্যমে নির্মান করা হচ্ছে "Great Wall of Lagos"
টেট্রাপড কংক্রিট হলো একধরনের কংক্রিট স্ট্রাকচার যেটা উভয় পাশে T- এর মত থাকে। টেট্রাপড কংক্রিট স্ট্রাকচার সাধারনত কোস্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ব্যাবহার হয়। সমুদ্র কিংবা নদীর ঢেউ, কিংবা জলবায়ুজনিত কারনে মাটির ক্ষয় রোধ করতে,এবং বন্যা রোধ করতে এধরনের স্ট্রাকচার ব্যাবহার হয়।
এরকম চতুস্তল আকারের কারন হচ্ছে ঢেউ এর গতি রোধ করতে।
নিচের ছবিগুলো হচ্ছে নাইজেরিয়ার ইকো আটলান্টিক শহরের, যেখানে টেট্রাপড কংক্রিট স্ট্রাকচার এর মাধ্যমে নির্মান করা হয়েছে "Great Wall of Lagos" যার দৈর্ঘ্য ৮.৫ কিলোমিটার । মূলত শহরটি কে আটলান্টিক সাগরের ওয়েভ এবং বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই ওয়াল টি নির্মান করা জয়।
===

প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)
নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ 🏡
★★★ বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটিকে কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ আর অন্যটিকে সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ বলা হয়ে থাকে। এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে-
ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:
পর্যায় ১ - সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন
পর্যায় ২ - ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা
পর্যায় ৩ - আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
পর্যায় ৪ - ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া
পর্যায় ৫ - পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা
পর্যায় ৬ - ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা
পর্যায় ৭ - ফাউন্ডেশন ঢালাই
পর্যায় ৮ - কলাম ঢালাই
পর্যায় ৯ - বীম ও ছাদ ঢালাই
পর্যায় ১০ - মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া
পর্যায় ১১ - ইটের গাঁথুনী করা
খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:
পর্যায় ১ - দরজার চৌকাঠ লাগানো
পর্যায় ২ - জানালার গ্রীল লাগানো
পর্যায় ৩ - বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা
পর্যায় ৪ - বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো
পর্যায় ৫ - ভিতরের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৬ - বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা
পর্যায় ৭ - কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো
পর্যায় ৮ - থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)
পর্যায় ৯ - বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো
পর্যায় ১০ - সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)
পর্যায় ১১ - ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো
পর্যায় ১২ - বৈদ্যুতিক তার টানা
পর্যায় ১৩ - বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া
পর্যায় ১৪ - দরজার পাল্লা ফিটিং করা
পর্যায় ১৫ - বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো
পর্যায় ১৬ - বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো
পর্যায় ১৭ - টাইলসের পয়েন্টিং করা
পর্যায় ১৮ - ছাদের উপরের বাগান মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো
পর্যায় ১৯ - বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা
পর্যায় ২০ - কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা

========================

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়
১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।
২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।
৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাইর পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।
৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।
৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।
৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১০। সেটব্যাক বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।
১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১২। শেয়ার ওয়াল বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।
৩। সাপ্রতিক সময়ে যে হারে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।
১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।
১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।
১৬। বিল্ডিং-এর বিমের থেকে পিলারের শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।
১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।
১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে লিন্টেলের সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে লিন্টেল দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।
১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

No comments:

Post a Comment

Standard Room SIze In Residential Buildings