অনেকেই সিভিল ঠিকাদার বা কন্ট্রাক্টরের সাথে মালিকের বিল্ডিং নির্মান চুক্তির বিষয়ক -:
সিভিল কাজের চুক্তিনামা :
প্রথমপক্ষ (বাড়ির মালিক) : দ্বিতীয় পক্ষ ( ঠিকাদার):
........................... ............................
কাজের শর্ত সমূহ :
১) কাজ শুরু করতে হবে চুক্তিনামা গ্রহনের ৩ (তিন) দিনের মধ্যে ।
২) প্রজেক্টে সর্বনিম্ন ৮-২০ জন লেবার মিস্ত্রী দিয়ে কার্য পরিচালনা করিতে হইবে।
৩) প্রতি দুই মাসে ৩ টি করে ছাদ ঢালাই এবং সর্বোচ্চ ১২ মাসের মধ্যে প্রজেক্ট এর কাজ সম্পাদন করিতে হইবে।
৪) ঠিকাদার যদি নির্ধারীত সময়ের মধ্যে প্রজেক্ট এর কাজ সম্পাদন করিতে না পারে সেই ক্ষেত্রে তার প্রাপ্য বিলের ৫% হারে জরিমানা কর্তন করা হইবে।
৫) ঠিকাদারের অবশ্যই পর্যাপ্ত শাটারিং এর বাঁশ-কাঠ ও কলামের জন্য স্টীল শাটারিং এর মালামাল থাকতে হবে।
৬) ঠিকাদার কাজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যেমন : কোদাল, বেলচা, তাগারি, বালতি,পলিথিন, সাবল, রড কাটার মেশিন, মিক্সার মেশিন, রুপশ, সেচ পাম্প, জি.আই তার ও তারকাটা, ইত্যাদি সরবরাহ করবে ।
৭) ভিতরে এবং বাহিরে প্লাস্টারের জন্যে ভারা মাচা,বাঁশ ঠিকাদারকে সরবরাহ করতে হবে।
৮)ঠিকাদারকে নিজ খরচে প্রয়োজনীয় মালামাল গোডাউন/সংরক্ষিত স্থান থেকে নিয়ে কাজ করতে হবে, এ ক্ষেএে সর্বোচ্চ দুরত্ব হবে ১৫০ ফুট কিন্তু দুরত্ব এর বেশি হলে ঠিকাদারের সাথে আলোচনা করে মালামাল বহনের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
৯) ঠিকাদারের কাজের গুনাগুন ও ধরণ এবং কোয়ালিটি যদি মানসম্মত না হয় কিংবা ঠিকাদার চুক্তির কোন অংশ ভঙ্গ করেন অথবা কাজ করতে অপরাগ বা ব্যর্থ হন অথবা অদক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দেন অথবা ডিজাইন অনুসরন না করে কাজ করেন তাহলে কতৃপক্ষ তার কাজের কার্যাদেশ বাতিল করে তার জমাকৃত সিকিউরিটির টাকা বাজেয়াপ্ত করবেন । এ ক্ষেএে কোন প্রকার আবেদন বা দাবী গ্রহনযোগ্য হবে না । তবে কতৃপক্ষ চাইলে বিষয়টির ব্যাপারে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারবেন যা এই চুক্তি পএে উল্লেখ করা হয়নি ।
১০) কাজ চলাকালীন প্রতিটি কার্য দিবসে ঠিকাদারকে অবশ্যই কাজের স্থলে উপস্থিত থাকতে হবে এবং তার প্রত্যক্ষ তদারকীতে তার শ্রমিকগন কাজ করবেন । কিন্তু কোন কারণে যদি ঠিকাদার কাজের স্থলে উপস্থিত থাকতে না পারেন তাহলে উপযুক্ত কারণ দেখাতে হবে এবং প্রজেক্ট ইন্জিনিয়ারকে তা অবগত করতে হবে ।

No comments:
Post a Comment