Thursday, January 9, 2025

পাইল / ফুটিং নিয়ে সামান্য অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পরামর্শ

পাইল নিয়ে সামান্য অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পরামর্শ...

১। প্রথমে পাইলের জন্য পর্যাপ্ত মালামাল সাইটে আছে কি না তা দেখতে হবে।
২। যারা পাইল করবে তাদের জনবল এবং যন্ত্রপাতি ঠিক মতো আছে কি না তা দেখতে হবে।
৩। তার পরে কলামের সেন্টার লাইন থেকে মাপ নিয়ে পাইলের পয়েন্ট দিতে হবে।
৪। এবং পাইল পয়েন্টে ১০মিমি ১' রডের টুকরা পুঁতে দিয়ে টা ঢালাই করি দিতে হবে।
৫। তার পরে বোরিং এর সময় চিজেল টা কে তাদের যে তেপায়া টা আছে। ওটায় সেট করতে হবে। এবং ওই তিন পায়ার সব গুলো পায়ার নিছে কাঠ বা বালির বস্তা দিয়ে সঠিক ভাবে বসাতে হবে যাতে এটি নড়ে না যায় এটি নড়ে গেলে বোরিং ঠিক হবে না।
৬। চিজেলের মাথা পাইলের জন্য পুঁতে দেওয়া রডের সেন্টারে এনে চিজেলের মাথায় পানি দিতে হবে যদি পানি গুলো রডের মাথায় ঠিক ভাবে পড়ে তা হলে বুঝতে হবে চিজেল সঠিক অবস্থানে আছে। তবে এই ক্ষেত্রে চিজেলের মাথা টা ভালো করে দেখতে হবে যাতে এটাতে কোন বাকা না থাকে। যদি বাকা থাকে তা হলে সমস্যা হবে। বোরিং ঠিক মতো হবে না। তার পর পাইলের ডায়গোনাল চেক দিতে হবে। এর পর ১.৫ মিটার পর্যন্ত আনকেস্ড অবস্থায় বোরিং করা হয় তার পর কেসিং প্রবেশ করানো হয়। বোরিং কাজ শেষ হলে মিনিমাম ৩০ মিনিট পাইল ওয়াশ দিতে হবে তবে যতক্ষন পরিষ্কার পানি না বের হয় ততক্ষণ ওয়াশ দিতে হবে। পাইল ওয়াশ দেওয়া পানির সাথে বেন্টনাইট ব্যবহার করা উচিত। এতে ওয়াশের সময় পাইলের পাশ্ব হতে মাটি প ভেঙ্গে পড়বে না।
৭। বোরিং কত টুকু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে তারা যখন তাদের বোরিং যন্ত্রপাতি সাইটে আনবে তখন সেই গুলো মাপ দিয়ে নিতে হবে।
৮। পাইলের খাচা বাঁধার সময় দেখেতে হবে spiral রড গুলোর ওয়েল্ডিং ঠিক ভাবে করেছে কি না৷ এটা পরিক্ষার জন্য একটা হাতুড়ি দিয়ে জয়েন্ট গুলোতে আঘাত করলে যদি জয়েন্ট ছুটে যায় তা হলে আবার ওয়েল্ডিং করাই নিতে হবে। যদি ডিজাইনে একটা স্পাইরাল ওয়েল্ডিং আরেকটা বুনন তার দিয়ে বাঁধাই করতে বলে । তা হলে ডিজাইন মতে কাজ করতে হবে।
৯। স্পাইরাল রড গুলো লেপিং যেই খানে হবে ওখানে যাতে মিনিমাম দুইটা মেইন রড এর শেষে লেপিং যেনো শেষ হয়। এবং লেপিং করা পুরো জায়গায় ওয়েল্ডিং করাই দিতে হবে।
১০। পাইলের স্পাইরাল বাধার সময় মেইন রড গুলো কে সোজা রেখে বাধাই করতে হবে না হলে ওয়েলডিং এর পর পাইলের খাচা মোচড় অবস্থা হয়ে থাকবে।
১১। পাইলের ডায়া মিনিমাম ১৮" হয়ে থাকে। এবং এটাতে ১৬ মিমি রড মিনিমাম ৬ টা ব্যবহার করতে হয়। এবং স্পাইরাল এর জন্য মিনিমাম ৮মিমি বা ১০মিমি রড ব্যবহার করা হয়।
১২। মিনিমাম ৫' পর পর পাইলের ৩ দিকে ৩" পরিমান কাভারিং ব্যবহার করা হয়।
১৩। পাইলের মেইন রডের লেপিং মিনিমাম ২.৫'/৩' দেওয়া উচিত এবং লেপিং এর জায়গায় ১.৫"-২" এর মতো ওয়েল্ডিং করা ৩ স্হানে উচিত।
১৪। বোরিং এ যখন খাঁচা ঢুকাবে তখন যাতে সোজা করে খাচা ঢুকায় যদি বাঁকা করে খাঁচা ঢুকায় তখন কাভারিং ব্লক গুলো ভেঙ্গে যাবে।।
১৫। এবং পাইলের যেই স্থানে ধরে পাইলটির খাঁচা বোরিং এ ঢুকাবে ওই জায়গায় স্পাইরাল গুলো ভালো করে ওয়েল্ডিং করে দিতে হবে।
১৬। ডিজাইম মতো রডের ডায়া এবং স্পাইরাল গুলোর স্পেসিং ঠিক আছে কি না দেখতে হবে।
১৭। কাস্টিং এর সময় ট্রিমি পাইপ টি পাইলের বটম থেকে ৬" উপর থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত এর বেশি উপর থেকে কংক্রিট ফেললে কংক্রিটের সাথে কাঁদা পানি মিশে কংক্রিটের শক্তি কমিয়ে দিবে।
১৮। ট্রিমি পাইপের ডায়া মিনিমাম ৬" হয়ে থাকে
১৯। কিছু ক্ষান কংক্রিটিং করার পর ট্রিম্বি পাইপ টি কে উপর নিছে উঠা নামা করে ভাইব্রেট করে দিতে হবে যাতে পাইলে ভয়েড না থাকে।
২০। পাইলের সাধারণত ১ঃ১.৫ঃ৩ রেশিও তে কংক্রিটিং করা হয়ে থাকে।
২১। কংক্রিটিং এর সময় ট্রিম্বি পাইপ টি কে পরিস্কার করে নিতে হবে যাতে আগের কোন কংক্রিট এর ভিতর না থাকে।
২২। ২৪ ঘন্টার ভিতর ১০' এর মধ্যে অন্য পাইল করা যাবে না এতে নতুন করা পাইলটি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
২৩। পাইল থেকে পাইলের দুরত্ব ৪' হয়ে থাকে
২৪। হপার টা পরিস্কার করে রাখতে হবে
২৫। ট্রিম্বি পাইপের জয়েন্ট যখন উপর উঠে আসবে তখন তা খুলতে হবে এর আগে নয়।
২৬। পাইলের Cut of level এ রেশি ১:৩:৬ রাখতে হবে। কারন এটি ভেঙ্গে পেলা হয়।


====

পাইলিং (পাইল) কি এবং কেন করতে হয়?
Engr. Rayhanul Hassan Bhuiyan.
B.Sc Engr in Civil (Fu)
-----------------------------------------------------------------------
একটু নরম মাটির উপর কয়েকটি ইট বা একটু ভারী কিছু রেখে দিলে দেখবেন কিছুদিন পর ইট বা সেই ভারী বস্তুটি একটু মাটির নিচে চলে চলে গিয়েছে। আর যদি একটা সম্পূর্ণ বাড়ি এমন নরম মাটিতে রেখে দিই, তাহলে কি অবস্থা হতে পারে?
আপনি বাড়ি করবেন মাটির উপর। আপনার বাড়ির একটা ওজন আছে। এই ওজনটা আপনার বাড়ি নিতে পারছে কিনা সেটা জানার জন্য মাটির পরীক্ষা অথবা Soil Test করতে হয়।
দুনিয়ার সবার জায়গার মাটি এরকম হয়না। অনেক সময় একই জমির মাটি ভিন্ন ধরণের হয়। পলি, দোআঁশ, বেলে দোআঁশ, কাঁদা মাটি সহ অনেক ধরণের মাটি হয়ে থাকে। কোথাও পানি জমে থাকে, কোথাও নরম মাটি ইত্যাদি ধরণের।
একজন অভিজ্ঞ স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার যখন একটা বাড়ির ফাউন্ডেশন, কলাম, বীমের হিসাব করেন তখন তিনি ঐ মাটির গুণাগুণ হিসাব করে এসবের ডিজাইন করেন।
মাটির দুর্বলতাকে সঠিক অবস্থায় নিয়ে আসার পদ্ধতি হলো পাইলিং। অর্থাৎ, জমির মাটি আপনার বাড়ির ওজন নেবার মতো নেই। বাড়ি ডেবে যেতে পারে, ডেবে গেলেই বাড়ি হেলে পড়তে পারে অথবা কোন একটা কলাম ডেবে গেলেই বাড়িতে ফাটল কিংবা আরও বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে।
সয়েল টেস্টের রিপোর্ট স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারকে বলে দেয় কোন ধরণের পাইলিং করতে হবে অথবা হবেনা। আপনার পাশের করিম সাহেব পাইলিং করেনি বলে আপনাকে পাইলিং করতে হবেনা এটা মোটেও সঠিক নয়। কোন ঠিকাদার, মিস্ত্রি কি বললো সেই মুখের কথায় কোটি টাকার সম্পদ ঝুঁকিতে ফেলবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত আপনার।
পাইলিং বিভিন্ন ধরণের হতে পারে।
বিয়ারিং ও ফ্রিকশন পাইল
শিট পাইল
অ্যাঙ্কর পাইল
ব্যাটার পাইল
ফেন্ডার পাইল
কম্প্যাকশন পাইল
টিম্বার পাইল
কংক্রিট পাইল
লিমপ্লেক্স পাইল
কম্পোজিট পাইল
স্যান্ড পাইল
আমাদের দেশে প্রধানত দুই ধরণের
পাইলের কাজ করা হয়ে থাকে,
১। প্রি-কাস্ট পাইল।
২। কাস্ট ইন সিটু পাইল।
পাইলিং কোন ধরণের হবে তা সয়েল টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার নির্ধারণ করবে।
বাড়ি ও যে কোন নির্মাণ বিষয়ে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।



====

পাইল ইন্টিগ্রিটি টেস্ট (PTI) এর বিস্তারিতঃ
============================
পাইল ইন্টিগ্রিটি টেস্ট (Pile Integrity Test - PIT) হল একটি নন-ডেস্ট্রাকটিভ টেস্ট পদ্ধতি যা কংক্রিটের পাইলের গুণগত মান এবং কাঠামোগত অবস্থা যাচাই করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি দ্রুত এবং কার্যকর উপায়ে পাইলের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। সাধারণত, পাইল স্থাপনের পরে এর দৈর্ঘ্য, ব্যাসার্ধ, এবং অভ্যন্তরীণ ত্রুটির তথ্য যাচাই করার জন্য এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
PTI-র প্রধান উদ্দেশ্যঃ
================
পাইলের অবস্থা মূল্যায়ন:
পাইলের ভেতরে কোনো ক্র্যাক, ফাঁকা স্থান (void), বা নিম্নমানের কংক্রিট আছে কিনা তা নির্ধারণ করা।
✔️পাইলের দৈর্ঘ্য যাচাই:
পাইলের প্রকৃত দৈর্ঘ্য এবং গভীরতা সঠিক কিনা তা নিশ্চিত করা।
✔️ত্রুটি সনাক্তকরণ:
কংক্রিটের কম্প্রেশন এবং ইনটিগ্রিটির ঘাটতি আছে কিনা তা চিহ্নিত করা।
PTI-র কার্যপদ্ধতিঃ
=============
✔️সরঞ্জাম প্রস্তুত করা:
বিশেষ সেন্সর বা অ্যাক্সিলোমিটার পাইলের শীর্ষে স্থাপন করা হয়।
হ্যামারের মাধ্যমে হালকা ধাক্কা (impact) দেওয়া হয়।
✔️কম্পন সৃষ্টি ও বিশ্লেষণ:
হ্যামারের ধাক্কার ফলে যে ঢেউ বা কম্পন সৃষ্টি হয়, তা সেন্সরের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। এই ঢেউ পাইলের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে।
✔️ডেটা সংগ্রহ ও প্রসেসিং:
ঢেউয়ের গতি এবং প্রতিফলনের সময় নির্ণয় করে পাইলের দৈর্ঘ্য, ত্রুটি বা ফাঁকা স্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
ব্যবহৃত সরঞ্জাম
✔️অ্যাক্সিলোমিটার: পাইলের উপর ঢেউ গ্রহণের জন্য।
হ্যামার: ঢেউ সৃষ্টির জন্য।
ডেটা সংগ্রাহক ও বিশ্লেষক সফটওয়্যার: ঢেউ বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করতে।
PTI-র সুবিধাঃ
==========
✔️নন-ডেস্ট্রাকটিভ পদ্ধতি:
পাইল ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত না করেই পরীক্ষা করা যায়।
✔️দ্রুত ফলাফল:
খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়।
সাশ্রয়ী:
অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় এটি সস্তা এবং সহজে পরিচালনা করা যায়।
✔️ত্রুটি সনাক্তকরণ:
কংক্রিটে উপস্থিত ফাঁকা স্থান, ডিসকন্টিনিউইটি, এবং অন্যান্য ত্রুটি নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব।
PTI-র সীমাবদ্ধতাঃ
=============
গভীর ত্রুটি বা ফাঁকা স্থান সঠিকভাবে সনাক্ত করতে সমস্যা হতে পারে।
হালকা ও পাতলা পাইলের ক্ষেত্রে পরীক্ষার কার্যকারিতা কিছুটা কম।
পরীক্ষাটি অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দ্বারা পরিচালনা করতে হয়

==========



সেপটিক ট্যাংকে ফাটল বা লিকেজ, এটা মৃত্যুও ঘটায় অনেক ক্ষেত্রে। এর সবচেয়ে বড় কারন, সঠিক ডিজাইন ও নির্মাণ কৌশল মেইনটেইন না করা।
সেপটিক ট্যাংক নির্মাণে অন্তত এই ৪টি নির্দেশনা মেনে চলুন:--
১. অবশ্যই ১০ইঞ্চি গাথুনির ভিতরের সাইটে আরসিসি ওয়াল নির্মাণ করতে হবে।
২. অবশ্যই ১টি রডেই উভয় সাইট ও নিচের ফ্লোরে লেন্থ ইনশিউর করতে হবে। অর্থাৎ কোন ভাবেই কাটা বা জোড়া রড গ্রহনযোগ্য নয়। অনেকটা ( U ) শেপ বা বর্গের তিন বাহুর মতো।
৩. সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে ড্যাম্পপ্রুফ বা ওপিসি সিমেন্ট ব্যবহার করার এবং প্রপার কিউরিং ইনশিউর করা।
৪. ইন্সপেকশন পিট অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় পর পর পর্যাবেক্ষণ করা এবং ইনলেট ও শোকওয়েলের আউটলেট পাইপ যেনো কোভাবেই বাধা প্রাপ্ত না হয়।
---------------------------------------
ইঞ্জি. আবু তালহা
বিল্ডিং কনসালটেন্ট, ডিজাইনার ও সুপারভিশন
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার
ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ডুয়েট
এএমআইই, আইইবি
বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, কন্সট্রাকশন কোয়ালিটি কন্ট্রোল
01707-449615 (WhatsApp)


=========

পাইল ক্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত:-
========<<<<=========
১। পাইল ক্যাপ বিল্ডিং এর অতিগুরুত্ব পুর্ন অংশ।
২। পাইল ক্যাপ বিল্ডিং এর সকল লোড পাইলে স্থানান্তর করে।
৩। দৈর্ঘ্য প্রস্থ সমান এমন পাইল ক্যাপ কে বর্গাকার পাইল ক্যাপ দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে বড় হলে তাকে আয়তাকার পাইল ক্যাপ বলা হয়।
৪। পাইল ক্যাপ এর পুরুত্ব মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটির ও বিল্ডিং এর লোডের উপর নির্ভর করে।
৫। পাইল ক্যাপ এর রড সাধারন্ত সিঙ্গেল জালী হয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে ডাবল জালী হয়।
৬। পাইল ক্যাপ এর রডে এল বা মাটাম লাগে।
৭। পাইল ক্যাপ ঢালায়ের আগে আমরা পাইলের মাথা ভেঙ্গে রড বের করি তারপর পাইল ক্যাপ এর নীচে বালি
দিয়ে ড্রেসিং লেভেলিং পানি দিয়ে কম্পেটিং পলিথিন সোলিং সিসি করে (সিসি করার সময় খেয়াল রাখতে
হবে য়েন পাইলের মাথার উপর না যায়) তার পর রড বাইন্ডিং করে সাটারিং করে ঢালায় করা হয়।
৮। পাইল ক্যাপ এর ঢালায়ের পুরুত্ব বেশী থাকায় ভালভাবে ভাইব্রেটিং করা উচিৎ যেন ভিতরে ভয়েড না থাকে।
৯। পাইল ক্যাপ ঢালায়ের সময় কলামের সেন্টার যেন কোন সমস্যা না হয়।
১০। ভালভাবে কিউরিং করতে হবে।
১১। সাটারিং খোলার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন পাইল ক্যাপ এর কোন প্রকার ক্ষতি না হয়।
পাইল ক্যাপ চেক লিষ্ট
=========<<<<<<=======<
• পাইলের উপর থেকে দুর্বল কংক্রিট সরিয়ে ফেলুন
• শাটার এর সকল ছিদ্র বা ফাকা বন্ধ করতে হবে
• সব সাইট শলে (সঠিক উলম্ব) রাখতে হবে
• সাটার এর সাপোর্ট ভালভাবে চেইক করতে হবে যাতে করে সাটার ঢালাই এর সময় খুলে না যায় বা ঢালাই মোটা না হয়
• সাটারে কংক্রিট ঢালার লেভেল মার্কিং করতে হবে
• কলামের রডের আনুভুমিক সাপোর্ট কংক্রিট লেভেল এর উপরে থাকতে হবে
• ক্লিয়ার কভার ভালমত চেইক করতে হবে
• রড বাধাই এর তারের কোন অংশ যেন কংক্রিট কভারের মধ্যে না যায় খেয়াল রাখতে হবে
• কলাম রিং নিচে, মাঝে ও উপরে দিতে হবে। কংক্রিট এর চার ইঞ্চ উপরে একটি রিং দিতে হবে।
• কলামের রড শলে (উলম্ব/খাড়া) রাখতে হবে
• কংক্রিট ঢালার পুর্বে ভালভাবে পরিস্কার করতে হবে।



===========

ফুটিং (Footing) বিল্ডিং নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি ভিত্তিমূলের ওজন মাটিতে সুষমভাবে স্থানান্তর করতে সহায়তা করে। নিচে ফুটিং সম্পর্কে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:
১. ফুটিং কী?
~ফুটিং হলো কংক্রিটের তৈরি ভিত্তি যা স্তম্ভ বা দেয়ালের ওজনকে মাটিতে স্থানান্তর করে এবং স্থাপনার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
২. ফুটিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
~ফুটিং মাটির সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে ওজন সুষমভাবে স্থানান্তর করে, যাতে ভবন স্থিতিশীল থাকে এবং দেবে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
৩. ফুটিংয়ের প্রকারভেদ কী কী?
~ফুটিংয়ের প্রধান প্রকারভেদগুলো হলো:
একক ফুটিং (Single Footing)
যৌথ ফুটিং (Combined Footing)
ফালা ফুটিং (Strip Footing)
রাফট ফুটিং (Raft Footing)
পাইল ফুটিং (Pile Footing)
৪. ফুটিং ডিজাইন করার সময় কী বিষয় বিবেচনা করতে হয়?
~মাটির ধরন ও সহনশীলতা
লোডের পরিমাণ
কাঠামোর ধরণ
পরিবেশগত প্রভাব
৫. একক ফুটিং কী?
~একক ফুটিং একটি পৃথক ভিত্তি যা একটি নির্দিষ্ট স্তম্ভের ওজন বহন করে এবং এটি ছোট বা মাঝারি আকারের ভবনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৬. যৌথ ফুটিং কী?
~যৌথ ফুটিং দুটি বা ততোধিক স্তম্ভের জন্য একক ভিত্তি ব্যবহার করে। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার হয় যখন স্তম্ভগুলো খুব কাছাকাছি থাকে।
৭. ফালা ফুটিং কী?
~ফালা ফুটিং একটি দীর্ঘ ফুটিং যা দেয়াল বা সারিবদ্ধ স্তম্ভের নিচে স্থাপন করা হয়। এটি সাধারণত বড় ভবন বা প্রাচীরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮. রাফট ফুটিং কী?
~রাফট ফুটিং একটি বৃহৎ ভিত্তি যা পুরো ভবনের নিচে থাকে। এটি তখন ব্যবহৃত হয় যখন মাটির সহশীলতা কম হয়৷
৯. পাইল ফুটিং/ পাইল ক্যাপ?
~ পাইল ফুটিং / পাইল ক্যাপ হাই রাইজ ভবনের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মাটির ভারবহন ক্ষমতা / SPT ভালো না পেলে পাইল এবং পাইল ক্যাপ ব্যবহার করতে হয়৷
১০. ফুটিংয়ের সঠিক গভীরতা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?
~ফুটিংয়ের গভীরতা নির্ধারণের সময় মাটির ধরন, ভূমিকম্পপ্রবণতা, কাঠামোর ওজন এবং স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিবেচনা করা হয়।
১১. ফুটিং নির্মাণে কোন উপকরণ ব্যবহার করা হয়?
~ফুটিং নির্মাণে সাধারণত কংক্রিট, রড (Rebar), সিমেন্ট, বালি এবং খোয়া ব্যবহার করা হয়।




==========

সোর পাইল করার নিয়মঃ
🔹দুই পাইলের মাঝের দুরত্ব ১ ফুট হতে হবে তবে মাটির গুনাগুনের উপর নির্ভর করে দুরত্ব কম বেশী হতে পারে ।
🔹সোর পাইল আর সার্ভিস পাইল করার নিয়ম একই তবে সোর পাইল পাশাপাশি হওয়ায় একটার দৈর্ঘ্য ৪৫ ফুট হলে পরেরটা ২ থেকে ৩ ফুট কম বেশী করতে হবে।
🔹কারন নীচের সিসি ঢালাই বোর পাইলের ডায়ার চেয়ে বেশী হয় ।
🔹মাটি যত কাটতে হবে পাইলিং তার ডাবল বা তিন ভাগের এক ভাগ বেশী করতে হবে।যেমন ১০ ফুট মাটি কাটলে সোর পাইল ২০ ফুট বা ১৫ ফুট করতে হবে।এটা মাটির উপর নির্ভর করে। 🔹সোর পাইলে গভীরতা বেশী হলে এক বা একাধিক ব্রেসিং দেওয়া হয় । কারন পাইলের মাথা ফ্রি হয়ে গেলে ও গভীরতা বেশী হলে ভিতরে চলে আসতে পারে তাই ব্রেসিং দিতে হয় ।

==============

#ভূমিকম্প প্রবন এলাকায় বিল্ডিং নির্মাণে বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
১) নরম মাটির উপর Foundation স্থাপন করা যাবে না । সব Foundation এর তলা একই সমতলে রাখতে হবে । Foundation এর সব Outline বর্গাকৃত্রির রাখতে হবে।
২) কলামের ও বীমের রডের জয়েন্ট যেন এক একটা এক এক জায়াগায় হয় অর্থাৎ অনেকগুলো জয়েন্ট যেন এক জায়গায় না পড়ে । এই বিষয়টা কলাম ও বীমের রড কাটার সময় বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে । যদি ভুলক্রমে দুই বা ততোদিক রডের জয়েন্ট এক জায়গায় পড়ে যায় তা হলে ঐ জায়গায় রিং এর পরিমান বাড়িয়ে দিতে হবে ।
৩) কলামের রিং এর ভিতরের দিকে ১৩৫ ডিগ্রী বাকিয়ে দিতে হবে । এর পরিমান হবে ৩" । এই জিনিসটা মিস্ত্রিদের রড ঢুকাতে কষ্ট হয় বলে বেশী ফাঁকি দেয় ।
৪) অতিরিক্ত বড় সাইজের দরজা জানালার পরিমান কমাতে হবে ।
৫) বিল্ডিং এর নিচে ওপেন পার্কিং এরিয়া ভুমিকম্পের জন্য বেশী ঝুকি, এক্ষেত্রে বিভিন্ন জায়গায় শিয়ার ওয়াল ব্যবহার করতে হবে ।
৬) নিম্নমানের উপকরণ কখনো ব্যাবহার করা যাবে না ।
৭) ভুমিকম্পের ঝুকি কমানোর জন্য বর্গাকৃতির বিল্ডিং তৈরি করা ভালো ।
ধন্যবাদ



















No comments:

Post a Comment

Standard Room SIze In Residential Buildings